MysmsBD.ComLogin Sign Up

[Trick] Uc Browser দিচ্ছে ৪০০০টাকা করে বিকাশে। বাংলাদেশ থেকে প্রথম থেকে ৪০০০ জন পাবে ৪০০০ টাকা করে ।

অবসরের পর আইপিএলে আলো ছড়িয়েছেন যারা

In ক্রিকেট দুনিয়া - May 29 at 10:28am
অবসরের পর আইপিএলে আলো ছড়িয়েছেন যারা

মার মার কাট কাট ঘরনার খেলা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট। আর সে কারণেই কিনা ২০ ওভারের এই নতুন ক্রিকেটকে মনে করা হয় তরুণদের খেলা।

এই কথাটি অনেকাংশে সত্যি হলেও এমন কয়েকজন ক্রিকেটারকেও দেখেছে ক্রিকেট বিশ্ব যারা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের পরও রীতিমত দাপিয়ে বেড়িয়েছেন বিভিন্ন টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে।

★ অবসরের পর ব্যাটে কিংবা বলে জাদু দেখানো সে রকম কয়েকজনের খেলোয়াড়ের গল্পই আজ থাকছে MySmsBD.Com পাঠকদের জন্য....

১. মাইক হাসি:
প্রায় ত্রিশের কোটায় এসে জাতীয় দলে অভিষেক তার। কিন্তু এরপরও মাইক হাসি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন অজি দলের অন্যতম ভরসার প্রতীক হিসেবে। পিচে তার ভরসা জাগানিয়া উপস্থিতি, আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিং আর উইকেটের চারদিকে অসাধারণ সব শট তাকে দিয়েছে `মিস্টার ক্রিকেট` এর খ্যাতি। ২০১৩ সালে শেষবারের মত ‘ব্যাগি গ্রিন’ মাথায় চাপিয়েছিলেন হাসি। অবসরের আগে ততদিনে চার মৌসুম কাটিয়ে ফেলেছেন চেন্নাই সুপার কিংসে। কিন্তু আইপিএল তার সেরাটা দেখল অবসরের পর। ২০১৩ সালের আইপিএলে সেবার ১৭ ম্যাচে ৬ অর্ধশতকে ৭৩৩ রান করে ‘অরেঞ্জ ক্যাপ’ নিজের করেন নেন হাসি। অবশ্য এরপর আরো দুই মৌসুম মুম্বাইর হয়ে ব্যাট হাতে নিলেও নিজের নামের প্রতি খুব একটা সুবিচার করতে পারেননি।

২. ম্যাথু হেইডেন:
মাইক হাসির মত ম্যাথু হেইডেনেরও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পদার্পণ অনেক পরিণত বয়সে। সেই আক্ষেপ ঘুচিয়েছেন ম্যাচের পর ম্যাচ রানের ফুলঝুরি ছুটিয়ে। শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার হয়ে জিতেছেন দুটি বিশ্বকাপও। কম যাননি টি-টোয়েন্টিতেও। বর্তমানে বিলুপ্ত আইপিএল ফ্র‍্যাঞ্চাইজি চেন্নাই সুপার কিংস এর হয়ে চার মৌসুমে ৫০ ম্যাচে করেছেন ১২০০ এর বেশি রান। ২০১০ সালের আইপিএলে তাক লাগিয়ে দেন তার বিখ্যাত ‘মঙ্গুজ’ ব্যাটের ৪৩ বলে ৯৩ রানের বিধ্বংসী ইনিংসে। শেষ পর্যন্ত সেবার অরেঞ্জ ক্যাপও উঠে তার মাথায়। ১২ ম্যাচ খেলে ৫৭২ রান করেছিলেন এই দীর্ঘদেহী অজি ব্যাটসম্যান।

৩. শন পোলক:
নব্বই দশকের শেষ দিক থেকে শুন্য দশকের শুরুর দিকটায় প্রোটিয়া দলে পেস আক্রমণের কাণ্ডারি ছিলেন শন পোলক। ক্ষুরধার গতির সাথে নিখুঁত লাইন এবং লেন্থ একজন ব্যাটসম্যানকে বিভ্রান্ত করতে যথেষ্টই ছিল শন পোলকের জন্য। পাশপাশি ব্যাটিংয়েও ছিলেন বেশ কার্যকরী। শেষ দিকে ব্যাট করতে নেমে দলকে উদ্ধার করেছেন বহুবার। প্রথম আইপিএলে মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের হয়ে খেলতে দেখা গিয়েছিল তাকে। নতুন বল হাতে অসাধারণ বৈচিত্র আর স্লগ ওভারে ট্রেডমার্ক স্লো বাউন্সারে সেবার বেশ সুনাম কুড়িয়েছিলেন শন পোলক। ১৩ ম্যাচে মাত্র ৬.৫৪ রান প্রতি ওভার খরচায় ১১ উইকেট নেয়া শন পোলককে অবশ্য আর খেলোয়াড় হিসেবে আইপিএলে দেখা যায় নি।

৪. অনিল কুম্বলে:
ভারতের সর্বকালের সেরা এই লেগ স্পিনার ২০০৮ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেও এর পরের বছরের আইপিএলেই জানান দিয়েছিলেন ফুরিয়ে যাননি তখনও। ১৬ ম্যাচে ২১ উইকেট নিয়ে আগের আসরের শেষ দিক থেকে দ্বিতীয় বেঙ্গালুরুকে সেবার রানার্স আপ করার পথে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন ৬০০ এর বেশি টেস্ট উইকেট নেয়া এই লেগ স্পিনার। ওই আসরের গ্রুপপর্বের এক ম্যাচে রাজস্থানের বিপক্ষে তার (৩.১-১-৫-৫) বিধ্বংসী বোলিং এখনো আইপিএলের সেরা বোলিং স্পেল গুলোর একটি। মাত্র ৫.৬৪ ওভার প্রতি রান দিয়ে সেবারের সবচেয়ে কৃপণ বোলারের মর্যাদাও লাভ করেন কুম্বলে।

৫. শেন ওয়ার্ন:
মৃত প্রায় লেগ স্পিন শিল্প অনন্য এক রূপ পেয়েছিল তার হাত ধরে। ২০০৭ এ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বলে দেয়া এই অজি ক্রিকেটারের ধার এতটুকু কমেনি অবসরের পরও। ২০০৮ সালে প্রথম আইপিএলে অপেক্ষাকৃত অনভিজ্ঞ দল রাজস্থান রয়্যালস শিরোপা ঘরে তোলে তারই নেতৃত্বে। ১৫ ম্যাচে ১৯ উইকেট নিয়ে সেবার সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ওয়ার্নি। এরপর রাজস্থানের হয়ে আরো তিন মৌসুম খেলে ৫৫ ম্যাচে নিয়েছেন মোট ৫৭ উইকেট। ওভারপ্রতি রানও ঈর্ষনীয়- ৭.২৭!

৬. অ্যাডাম গিলক্রিস্ট:
উইকেটরক্ষণ আর দুই ফরম্যাটে সম্পূর্ণ ভিন্ন দুই জায়গায় ব্যাট করাটাকে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিলেন এই মারকুটে অজি ক্রিকেটার। টেস্টে সাত নম্বরে আর সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ইনিংসের গোড়াপত্তন দুই জায়গাতেই স্বমহিমায় উজ্জ্বল ছিলেন গিলি। অবসরের পর আইপিএলে খেলেছেন দুটি ভিন্ন দলের হয়ে। ২০০৮ মৌসুমে ডেকান চার্জার্সের হয়ে ৪২ বলে শতরানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলার পথে হাঁকিয়েছিলেন দশটি বিশাল ছক্কা। প্রথম মৌসুমে সবার শেষে থেকে শেষ করা ডেকান চার্জার্সকে দোদাণ্ড প্রতাপে শিরোপা জিতিয়েছেন পরের আসরেই। এরপর পাঞ্জাবের হয়ে খেলেছেন আরো বেশ কয়েক বছর। প্রায় চল্লিশের কোটায় গিয়েও করেছেন আরো দুটি সেঞ্চুরি।

৭. মুত্তিয়া মুরালিধরন:
২০১১ সালে আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে বিদায় নিলেও ক্রিকেট ইতিহাসের সর্বকালের সবচেয়ে বেশি সফল বোলার মুত্তিয়া মুরালিধরন আইপিএল খেলেছেন ২০১৪ সাল পর্যন্ত। বেঙ্গালুরুর হয়ে প্রথম মৌসুমে পাঁচ ম্যাচে মাত্র দুই উইকেট নিলেও পরবর্তী মৌসুমে মাত্র ১০ ম্যাচে ৬.৫ ওভার প্রতি রান খরচায় নেন ১৫ উইকেট। আইপিএলকে বিদায় জানানোর আগে কোচি টাস্কার্স কেরালা আর চেন্নাই সুপার কিংস এর হয়েও মাঠ মাতিয়েছেন এই শ্রীলংকান

৮. শেন ওয়াটসন:
এই বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলেই অবসর নিয়েছেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে। কিন্তু এবারের আইপিএলে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে দেখিয়ে দিচ্ছেন এখনো ক্রিকেটে অনেক কিছুই দেওয়ার বাকি তার। গত মৌসুম পর্যন্ত খেলেছেন রাজস্থান। এবার তাকে পকেটে পুরেছে বেঙ্গালুরু। ব্যাট হাতে খুব একটা কিছু করার সুযোগ না পেলেও বল হাতে স্বমহিমায় উজ্জ্বল ওয়াটসন। ১১ ম্যাচে ইতিমধ্যেই নিয়েছেন ১৪ উইকেট। ঘুনে ধরা বেঙ্গালুরুর বোলিং লাইনে একাই যেন স্রোতের বিপরীত ওয়াট্টো।

৯. গ্লেন ম্যাকগ্রা:
১৯৯৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে অভিষেকের পর থেকেই দলে প্রায় নিয়মিত মুখ গ্লেন ম্যাকগ্রা অবসর গ্রহণ করেন ২০০৭ সালে। কিন্তু পরের বছরই আইপিএলে দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের হয়ে আবারো ক্রিকেটে ফেরেন টেস্ট ক্রিকেটে ৫০০ এর বেশি উইকেট নেয়া এই পেসার। সেবার ১৬ ম্যাচে ৬.৭ গড়ে ১৪ উইকেট নেয়া এই অজি পেসার অবশ্য আইপিএলে আর খুব বেশি দূর যাননি। পরের মৌসুমে আর মাত্র দুই ম্যাচ খেলেই আইপিএলকে বিদায় জানান তিনি।

১০. সৌরভ গাঙ্গুলি:
তর্ক্যযোগ্যভাবে ভারতের সর্বকালের সেরা অধিনায়ক তিনি। একসময় দ্বিধাবিভক্ত এক দল ভারতের আজকের এ অবস্থানে আসায় তার রয়েছে অসামান্য অবদান। অবসরের পর কলকাতা নাইট রাইডার্সকে তিন বছর সফলভাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন আইপিএলে। ২০১০ মৌসুমে ১৪ ম্যাচে ৩৮ গড়ে তার ৪৯৩ রান ছিল সেবারের তৃতীয় সর্বোচ্চ। এটি ছিল তার অবসরের দুই বছরেরও বেশি সময় পর। এরপর পুনে ওয়ারিওর্সের হয়ে আরো এক মৌসুম খেলে ক্রিকেট থেকে বিদায় নেন `দাদা`।

[Trick] Uc Browser দিচ্ছে ৪০০০ টাকা করে বিকাশে। বাংলাদেশ থেকে প্রথম থেকে ৪০০০ জন পাবে ৪০০০ টাকা করে ।

Googleplus Pint
Anik Sutradhar
Posts 6928
Post Views 843