MysmsBD.ComLogin Sign Up

আইসিসি আমার প্রতি অবিচার করেনি : তাসকিন

In ক্রিকেট দুনিয়া - Apr 19 at 1:32am
আইসিসি আমার প্রতি অবিচার করেনি : তাসকিন

তাঁর বোলিং অ্যাকশন নিষেধাজ্ঞার খবরে উত্তাল হয়ে উঠেছিল পুরো বাংলাদেশ। প্রতিবাদ জানিয়ে মানববন্ধন, বক্তব্য-বিবৃতি কিছুই বাদ যায়নি। আইসিসির ‘ষড়যন্ত্রে’র গন্ধ খুঁজে পেয়েছেন দেশ-বিদেশের অনেকেই। তবে স্বয়ং তাসকিন আহমেদ সেই দলে নেই! গত এক মাসে অনেক টালমাটাল সময়ের ভেতর দিয়ে গেলেও বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে আসামির কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে রাজি নন এই তরুণ প্রতিভাবান পেসার।

গত মাসে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তাসকিনের বোলিং অ্যাকশন সন্দেহবিদ্ধ হয়েছিল। এর পর চেন্নাইয়ে বায়োমেকানিক্যাল পরীক্ষা দিয়ে ব্যর্থ হয়ে দেশে ফিরে এসেছিলেন বিশ্বকাপের মাঝপথেই। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বোলিং করার অধিকার ফিরে পেতে অ্যাকশন শোধরাতে হবে তাঁকে।

মাত্র ২১ বছর বয়সে এমন জটিল সমস্যায় পড়লেও তাসকিন কিন্তু মাথা ঠান্ডাই রাখছেন। আইসিসির কাঁধে দায় চাপিয়ে না দিয়ে সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেছেন, ‘আমি মনে করি না, আইসিসি কোনো ভুল করেছে। তারা আমার প্রতি কোনো অবিচার করেনি। এটা করার অধিকার তাদের আছে। খালি চোখে দেখে ম্যাচ অফিশিয়ালদের মনে হয়েছে যে আমার বোলিং অ্যাকশনে ত্রুটি আছে। তাই তাঁরা আমার বিরুদ্ধে রিপোর্ট করেছেন। পরীক্ষাগারে সব ধরনের আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নিয়েই আমার পরীক্ষা করা হয়েছে।’

চেন্নাইয়ে কী ধরনের পরীক্ষা দিতে হয়েছিল, সে কথাও জানিয়েছেন তাসকিন, ‘আমাকে সব মিলিয়ে ৪২টি ডেলিভারি দিতে হয়েছিল। নয়টি বাউন্সার দিয়েছিলাম আমি, যার মধ্যে তিনটি অবৈধ হয়েছিল। ওই তিনটি বলের জন্যই আমি এখন নিষিদ্ধ।’

দুঃসংবাদটা শুনে প্রথমে ভেঙে পড়লেও পরে নিজেকে সামলে নিয়েছিলেন তাসকিন। সে সময় বিদেশ ভ্রমণ মন শক্ত রাখতে দারুণ সাহায্য করেছিল তাঁকে, ‘বোলিং নিষিদ্ধ হওয়ার খবর মেনে নেওয়া ভীষণ কঠিন ছিল আমার জন্য। আমি পুরোপুরি নিজেকে হারিয়ে ফেলেছিলাম যেন। তবে পরে আমার মনে হয়, বিদেশ ভ্রমণ হয়তো কাজে আসতে পারে। তাই শ্রীলঙ্কা আর মালদ্বীপে বেড়াতে গিয়েছিলাম। সফরটা অনেকটাই তরতাজা করেছে আমাকে।’

হতাশা ঝেড়ে ফেলে তাসকিন এখন তাকিয়ে সামনের দিকে, ‘জাতীয় পর্যায়ের কোচরা অ্যাকশন শোধরানোর জন্য সাহায্য করছেন আমাকে। মাহমুদ আলী জাকি নামের একজন স্থানীয় কোচও সাহায্য করছেন। এ ছাড়া প্রতিটি ক্ষেত্রে সাহায্য করছেন আবাহনীর কোচ সুজন স্যার (খালেদ মাহমুদ)। আশা করি, এভাবেই তিনি আমাকে সাহায্য করে যাবেন।’

কবে দ্বিতীয় পরীক্ষা দিতে বিদেশে যাবেন, তা জানেন না তাসকিন। আপাতত আসন্ন প্রিমিয়ার লিগের দিকে তাঁর দৃষ্টি নিবদ্ধ, ‘বর্তমানে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের দিকে আমার পূর্ণ মনোযোগ। লিগে বোলিং করতে আমি উদগ্রীব হয়ে আছি। লিগ শেষ হওয়ার পর দেখা যাক, বিসিবি কোথায় আমাকে দ্বিতীয়বার যাওয়ার অনুমতি দেয়।’

Googleplus Pint
Anik Sutradhar
Posts 6954
Post Views 167