MysmsBD.ComLogin Sign Up

Search Unlimited Music, Videos And Download Free @ Tube Downloader

ক্ষমতার দাপটে ধর্ষণ চেষ্টার বিচার ৫ বেত্রাঘাত!

In দেশের খবর - Thu at 7:41pm
ক্ষমতার দাপটে ধর্ষণ চেষ্টার বিচার ৫ বেত্রাঘাত!

লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলায় ৪র্থ শ্রেণীর এক ছাত্রীকে (১০) ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম মো. ফেরদৌস (৩৮)। তিনি চরগাজী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহফুজুল হক ওরফে শের আলীর ছেলে ও রামগতি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল ওয়াহেদের ভাতিজা।

আর যৌন হয়রানির শিকার শিশু একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী।

এদিকে, এ ঘটনায় অভিযুক্ত ফেরদৌসকে বেত্রাঘাত করে ছেড়ে দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা। এরআগে মঙ্গলবার উপজেলার চরলক্ষ্মী গ্রামে এ ধর্ষণ চেষ্টার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলছে, ওই ছাত্রীর পরিবার থানায় অভিযোগ করেনি। তাদের মামলার করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে ওই শিশু প্রাইভেট পড়তে যাচ্ছিল। ফেরদৌসের বাড়ির পাশে পৌঁছলে ধারালো দা’র ভয় দেখিয়ে ছাত্রীকে একটি সুপারি বাগানে নিয়ে যায়। এসময় তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়। একপর্যায়ে তার চিৎকারে ফেরদৌস পালিয়ে যায়।

পরে সে বাড়িতে গিয়ে তার পরিবারের সদস্যদের জানায়।
থানা পুলিশ সূত্র জানায়, ধর্ষণ চেষ্টার খবর পেয়ে থানার এসআই ফরিদ ও মাইন উদ্দিন ঘটনাস্থল গিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন। এসময় তারা ঘটনার সত্যতা পান। ছাত্রীর পরিবারকে থানায় এসে মামলা করার পরামর্শ দেয়া হয়।

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক জনপ্রতিনিধি বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তার পরিবার প্রভাবশালী। তারা বেশ ক্ষমতাধরও।

তাদের বিরুদ্ধে মামলা করলে এলাকায় থাকা যাবে না। এজন্য বাধ্য হয়েই তারা মুখে কুলুপ এনেছেন।

তিনি আরো বলেন, ঘটনার রাতে অভিযুক্ত ফেরদৌস, তার ভাই বিপ্লব ও স্থানীয় কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তি শিশুটির বাড়িতে যান। এসময় ফেরদৌসকে ৫টি বেত্রাঘাত এবং শিশুর পরিবার কাছে ক্ষমা চাওয়া হয়।

ওই শিশুর এক নিকটাত্মীয় বলেন, বিষয়টি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল ওয়াহেদ সমাধান করে দিয়েছেন। এ বিষয়ে তার সঙ্গে কথা বলেন।

তবে, উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল ওয়াহেদ জানান, ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগটি সঠিক নয়। শিশুটিকে ছুরি দেখিয়েছে, এতে সে ভয় পেয়েছে। বিষয়টি সামাজিকভাবে সমাধান হয়ে গেছে। কি ধরনের সমাধান হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।

ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ফেরদৌস পলাতক থাকায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।

এ ব্যাপারে রামগতি থানার ওসি মো. ইকবাল হোসেন বলেন, শিশুর পরিবারের সদস্যদের বারবার বলার পরও তারা থানায় অভিযোগ করেনি।

এ ধরনের অভিযোগ সমাধানযোগ্য না জানালেও তারা স্থানীয়ভাবে বিচার পেয়েছেন বলে মামলা করতে আসেনি। তারা অভিযোগ করলে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Googleplus Pint
Noyon Khan
Posts 3318
Post Views 241