MysmsBD.ComLogin Sign Up

Search Unlimited Music, Videos And Download Free @ Tube Downloader

আকাশে মমতাকে হত্যার ষড়যন্ত্র!

In আন্তর্জাতিক - Thu at 2:25pm
আকাশে মমতাকে হত্যার ষড়যন্ত্র!

কম জ্বালানি নিয়ে প্রায় ৪০ মিনিট কলকাতার দমদম বিমানবন্দরের আকাশে ঘুরছিল পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিমান। কিন্তু নামার অনুমতি দেয়নি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। এদিকে বিমানের সবার মনে শঙ্কা।

মাটিতে নেমেই ক্ষোভে ফেটে পড়লেন মমতার সফরসঙ্গী পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। জানালেন, মমতাকে হত্যা করতেই কেন্দ্রীয় সরকার আকাশে মমতাকে হত্যার এই ষড়যন্ত্র করেছে।

টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, গতকাল বুধবার রাতে ইন্ডিয়াগোর একটি বিমানে করে বিহার রাজ্যের পাটনা থেকে কলকাতায় ফিরছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে ছিলেন তাঁর সরকারের দুই মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ও মুকুল রায়। রাত ৮টা নাগাদ দমদম বিমানবন্দরে নামার কথা ছিল বিমানটির। কিন্তু অনুমতি না পাওয়ায় অল্প জ্বালানি নিয়ে কলকাতার আকাশে আধা ঘণ্টা কাটাতে হয় বিমানটিকে।

রাত ৮টা ৪০ মিনিটে বিমান থেকে নেমে ক্ষোভে ফেটে পড়েন ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেন, ৪০ মিনিট ধরে আমাদের বিমান কম জ্বালানি নিয়ে কলকাতার আকাশে ঘুরপাক খাচ্ছে। কিন্তু বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বারবার নানা অজুহাতে বিমানটি নামতে দিচ্ছে না।

ফিরহাদ হাকিম আরো বলেন, ‘বিমান থেকেই দেখলাম ক্রাশ ল্যান্ড করার পরের সব প্রস্তুতি সেরে রেখেছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। প্রস্তুত ছিল অগ্নিনির্বাপক বাহিনী এবং অ্যাম্বুলেন্সও। কেন তাঁরা ধরেই নিলেন, বিমানটি ক্রাশ করবে? কেন তাঁরা বিমানটিকে আরো আগে নামতে দিলেন না?’

মুকুল রায় বলেন, ‘পাইলট বহু আগেই জানিয়ে রেখেছিলেন, জ্বালানি কম আছে। এ জন্য নিয়মানুযায়ী জরুরি অবতরণের আবেদন জানিয়েছিলেন পাইলট। কিন্তু বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এই আবেদনে কানই দিল না। এমনকি বিমানের ১৭০ যাত্রীর মধ্যে যে মুখ্যমন্ত্রীও (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) আছেন, তা যেন মনেই ছিল না তাঁদের। ফলে ৪০ মিনিট ধরে বিপজ্জনকভাবে আকাশে ওড়ে বিমানটি। যখন নেমে এলো, ততক্ষণে বিমানের আগুন নেভানো এবং আহত যাত্রীদের অ্যাম্বুলেন্সে করে সরানোর প্রস্তুতি সারা!

মুকুল বসু বলেন, ‘এটা স্পষ্ট যে মুখ্যমন্ত্রীকে আকাশে হত্যার একটি ষড়যন্ত্র হয়েছিল। তিনি সাধারণ মানুষের সমস্যার বিরুদ্ধে লড়ছেন, তাই তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার এটি একটি ষড়যন্ত্র।’

দুই মন্ত্রীর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ার পরও অবশ্য মুখ্যমন্ত্রী কোনো মন্তব্য করেননি। তবে এ ঘটনায় তিনি বেশ ক্ষুব্ধ বলে সূত্রের বরাতে জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

অবশ্য দুই মন্ত্রীর এ বক্তব্যকে উড়িয়ে দিয়েছে কলকাতা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। আজ বৃহস্পতিবার সকালে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ সঞ্জয় কুমার জৈন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে জানায়, ইন্ডিয়াগোর সিক্সই ০৩৪২ বিমানের চেয়ে আরো কম জ্বালানি নিয়ে আকাশে উড়ছিল একটি বিমান।

তৎক্ষণাৎ সেটিকে নামতে না দিলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারত। এ জন্য দুর্ঘটনা এড়াতে আগে ওই বিমানটিকে নামতে দেওয়া হয়েছে। এটি বিমানবন্দরের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া বলে উল্লেখ করে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, এ ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীকে হত্যার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

সূত্রঃ এনটিভি অনলাইন

Googleplus Pint
Mizu Ahmed
Posts 3857
Post Views 166