MysmsBD.ComLogin Sign Up

গাজীপুরে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ: ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা

In দেশের খবর - Nov 27 at 1:30pm
গাজীপুরে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ: ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা

জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার বেগম রাবেয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক এবং বাহাদুরসাদী ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলামের (৫০) বিরুদ্ধে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শুক্রবার বেগম রাবেয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ওই স্কুলের সাবেক এক ছাত্রীর (২০) সাথে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করে স্থানীয়রা। অভিযুক্ত সিরাজুল ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত। ঘটনার পর বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্ঠা করছে ওই আওয়ামী লীগ নেতার অনুসারীরা। তারই অংশ হিসেবে শনিবার সকালে কালীগঞ্জ-ঘোড়াশাল-জামালপুর সড়কে এ মানব বন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করে ঘটনা ভিন্ন খাতে নেয়ার চেষ্টা করছে বলে জানান স্থানীয়রা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিদ্যালয় বন্ধের দিন থাকার সুযোগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে স্কুলের পার্শ্ববর্তী বাশাইর গ্রামের ওই স্কুলের সাবেক এক শিক্ষার্থীর সাথে অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি আচ করতে পারে স্থানীয়রা। তারা স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. শাহাবুদ্দিন আহমেদ ও ইউপি সদস্য লিটন চন্দ্র বনিককে খবর দেয়।

পরে ওই জনপ্রতিনিধিসহ স্থানীয় শতাধিক জনতা ওই প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ও সাবেক ছাত্রীকে বিদ্যালয়ের একটি রুমে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করে। এ সময় স্থানীয়দের উপস্থিতি টের পেয়ে ওই ছাত্রী পালানোর সময় স্থানীয়রা আটক করে। পরে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ওই ছাত্রীটিকে ইউপি সদস্য লিটন চন্দ্র বনিকের তত্ত¡বধানে রাখেন। আর ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দের সাথে কথা বলে ওই আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবেন বলে জানায় সূত্রটি।

তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই শিক্ষক ও আওয়ামী লীগ নেতার ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্ঠা করছে তার অনুসারীরা।

এ ব্যাপারে ইউপি সদস্য লিটন চন্দ্র বনিক ঘটনার বিবরণ দিয়ে বলেন, আমি চেয়ারম্যানের ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই ছাত্রীকে দেয়াল টপকে পালানোর চেষ্ঠা করতে দেখেছি। এ সময় স্থানীয়রা তাকে আটক করেন। তবে তিনি একটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের এমন অবস্থানে থাকা সত্তে¡ও এ ধরণের কাজ করায় তার উপযুক্ত বিচার হওয়া দরকার।

ইউপি চেয়ারম্যান মো. শাহাবুদ্দিন আহমেদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তিনি শিক্ষক ও আওয়ামী লীগের কলঙ্ক। তাই ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দের সাথে কথা বলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমার যতটুকু করার দরকার ছিল আমি তা করেছি। ওই শিক্ষক পরিবেশ উত্তপ্ত করার চেষ্টা করছে। আর তাই সে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দিয়ে মানব বন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করিয়ে ঘটনা ভিন্ন খাতে নেয়ার চেষ্টা করছে।

অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা ও প্রধান শিক্ষক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, মেয়েটি স্কুল থেকে ফুল নিতে এসেছে। তার সাথে কোন ঘটনা ঘটেনি। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শাহাবুদ্দিন পূর্ব শত্রুতার জেরে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে বলে জানান।

সূত্রঃ সময়ের কন্ঠস্বর

Googleplus Pint
Mizu Ahmed
Posts 4076
Post Views 145