MysmsBD.ComLogin Sign Up

নিজের শেষ চলচ্চিত্র দেখতে পারেননি যে বলিউড তারকারা

In সিনেমা জগৎ - Nov 17 at 6:53pm
নিজের শেষ চলচ্চিত্র দেখতে পারেননি যে বলিউড তারকারা

বড়পর্দার তারকাদের জীবন চিরকাল পর্দার মতো রঙিন আর ঝলমলে থাকে না। আর দশটা মানুষের মতো তাঁদেরও মানবিক জীবনের সমস্যা, দুঃখ, হতাশার সময়গুলোর মুখোমুখি হতে হয়। একটা সময় জীবন না থাকলেও থেকে যায় তাঁদের কাজগুলো।

তবে নিজেদের সব কাজই দেখে যাওয়ার সৌভাগ্য অনেকের হয় না। বলিউডের বেশ কয়েকজন কিংবদন্তি তারকা রয়েছেন, যাঁরা নিজেদের শেষ কাজগুলো দেখার আগেই পাড়ি জমিয়েছেন পরকালে। তাঁদের নিয়েই এই বিশেষ আয়োজন।

১. ফারুক শেখ (ইয়োঙ্গিস্তান-২০১৪)

টেলিভিশনে যেমন বিখ্যাত, তেমনি বড়পর্দাতেও দর্শকপ্রিয় ছিলেন এই সৌম্যদর্শন অভিনেতা। ২০১৩ সালের ২৭ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন তিনি। তাঁর অভিনীত ‘ইয়োঙ্গিস্তান’ ছবিটি মুক্তি পায় ২০১৪ সালে।

২. রাজেশ খান্না (রিয়াসত-২০১৪)

বলিউডের প্রথম সুপারস্টার রাজেশ খান্না জীবনের শেষের দিকটায় তেমন আসেননি বড়পর্দায়। হাতে গোনা কয়েকটি ছবিতে অভিনয় করেছিলেন, তবে সেই যুগের অবিশ্বাস্য তারকাখ্যাতির প্রতি সুবিচার করতে পারেননি একবারেই। ২০১২ সালে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর অভিনীত থ্রিলার ঘরানার ছবি ‘রিয়াসত’ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় ২০১৪ সালে।

৩. জয় মুখার্জি (লাভ ইন বোম্বে-২০১২)

ষাট এবং সত্তরের দশকের এই জনপ্রিয় অভিনেতা মৃত্যুবরণ করেন ২০১২ সালের ৯ মার্চ। বহু আগেই অভিনয় ছেড়েছিলেন, তবে তাঁর অভিনীত ‘লাভ ইন বোম্বে’ ছবিটি তাঁর মৃত্যুর পর সন্তানদের উদ্যোগে মুক্তি পায়। এই ছবিতে অভিনয় করেছিলেন অশোক কুমার, কিশোর কুমার, ওয়াহিদা রেহমানদের মতো বড়মাপের শিল্পীরাও।

৪. শাম্মি কাপুর (রকস্টার-২০১১)

ঐতিহ্যবাহী কাপুর পরিবারের অন্যতম এই সদস্য বহু আগেই অভিনয় ছেড়েছিলেন। কিছু ছবিতে অতিথি চরিত্রে তাঁকে দেখা গিয়েছিল। সবশেষ হাজির হয়েছিলেন নাতি রণবীর কাপুরের ‘রকস্টার’ ছবিতে। দুর্ভাগ্যবশত, ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির আগেই মৃত্যু হয় এই কিংবদন্তি তারকার।

৫. অমরেশ পুরি (কচ্চি সড়ক-২০০৬)

বলিউডি ছবির এই কিংবদন্তি খলনায়কের মৃত্যু হয় ২০০৫ সালের শুরুর দিকে। আর এই ছবিটি মুক্তি পায় পরের বছরের শেষদিকে।

৬. দিব্যা ভারতী (শতরঞ্জ-১৯৯৩)

মাত্র ১৯ বছর বয়সে রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয় অকল্পনীয় খ্যাতি এবং সাফল্য পাওয়া এই অভিনেত্রীর। সামান্য সময়ে বলিউডের সব বাঘা বাঘা তারকার সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর পর মুক্তি পাওয়া এই ছবিটিও ছিল তারকাবহুল।

৭. আমজাদ খান (সৌতেলা ভাই-১৯৯৬)

বলিউডের সবচেয়ে ‘আইকনিক’ ভিলেন হিসেবে স্বীকৃত ছিলেন আমজাদ খান, এমনকি আজও! বহুমাত্রিক এই অভিনেতার মৃত্যু হয় ১৯৯২ সালে। মৃত্যুর বেশ কয়েক বছর পর মুক্তি পায় এই ছবিটি।

৮. স্মিতা পাতিল (গ্যলিয়ো কা বাদশাহ-১৯৮৯)

নিজের সময়েই কেবল নয়, স্মিতা পাতিলকে ভারতীয় ছবির ইতিহাসে অন্যতম শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে মানা হয় সব সময়। একমাত্র সন্তান প্রতীককে জন্ম দিতে গিয়েই মৃত্যু হয়েছিল এই প্রতিভাধর অভিনেত্রীর, ১৯৮৬ সালে। তাঁর মৃত্যুর বেশ কয়েক বছর পর মুক্তি পায় এই ছবিটি।

৯. মীনা কুমারী (গোমতি কে কিনারে-১৯৭২)

জীবনের সেরা ছবি ‘পাকিজা’ মুক্তির মাসখানেকের মধ্যেই লিভার সিরোসিসে মৃত্যু ঘটে অসামান্য এই অভিনেত্রীর। ‘গোমতি কে কিনারে’ ছবিটি মুক্তি পায় আরো কিছুদিন পর।

১০. মধুবালা (জ্বালা-১৯৭১)

মধুবালাকে বলা হতো বলিউডি ছবির ‘ভেনাস’। রূপে-গুণে-অভিনয়ে অসামান্য এই অভিনেত্রীর মৃত্যু হয় ১৯৬৯ সালে। তাঁর মৃত্যুর বছর দুয়েক পর মুক্তি পায় ছবিটি। এতে তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন সুনীল দত্ত। -এনটিভি অনলাইন

Googleplus Pint
Mizu Ahmed
Posts 4052
Post Views 295