MysmsBD.ComLogin Sign Up

বিপিএল ২০১৬ : এবার সাকিবের কাছে হারলেন তামিম

In ক্রিকেট দুনিয়া - Nov 17 at 4:53pm
বিপিএল ২০১৬ : এবার সাকিবের কাছে হারলেন তামিম

লক্ষ্য ১৪৯। কিন্তু চট্টগ্রামে নিজেদের মাঠে সেই সংগ্রহটার ধারে কাছেও যেতে পারল না চিটাগং ভাইকিংস! এবারের বিপিএলে টানা চতুর্থ ম্যাচ হারল তারা। এবার তামিম ইকবাল হারলেন বন্ধু সাকিব আল হাসানের কাছে। সাকিবের ঢাকা ডায়নাইমাইটস বৃহস্পতিবার জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ম্যাচটা বেশ সহজেই ১৯ রানে জিতেছে। ৫ ম্যাচে ৪ জয় নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষেই থাকল ঢাকা।

অনেক বড় সংগ্রহের আশা জাগিয়েও ঢাকা শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেটে ১৪৮ রান করে। কৃতিত্বটা চিটাগংয়ের বোলারদের। মোহাম্মদ নবি নিয়েছিলেন ৩ উইকেট। টাইমাল মিলসেরও শিকার ৩টি। এরপর শুরু থেকেই ছন্দে লাগল না তামিমদের ব্যাটিং। তামিম নিজেও ৩৫ বলে ২৬ রানের ধীর ইনিংস খেলে ফিরেছেন। নিয়মিত উইকেট তুলে নিয়ে ঢাকা প্রতিপক্ষকে ৮ উইকেটে ১২৯ রানে থামিয়েছে।

জবাব দিতে নেমে ৩৮ রানে ২ উইকেট হারায় চিটাগং। জহুরুল ইসলাম (৬), এনামুল হক (১৭) ফিরেছেন। তামিম ৬৬ রান পর্যন্ত দলকে নিয়ে ডোয়াইন ব্রাভোর শিকার। ম্যাচে আসলে কখনোই ছিল না চিটাগং। ঢাকার মোহাম্মদ শহীদ একে একে তুলে নেন নবি (১৫), গ্র্যান্ট ইলিয়ট (৮) ও নাজমুল হোসেন মিলনের (১৩) উইকেট। ৯৬ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর আর কোনো আশা থাকেনি চিটাগংয়ের।

টস হেরে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৪৫। ৫ ওভারের মধ্যে। এরপর ৯ ওভারে ১ উইকেটে ৭২। ঢাকার যা ব্যাটিং লাইন আপ তাতে এরপর তাদের বেশ বড় স্কোর গড়ার কথা। কিন্তু জয়ে ফিরতে মরিয়া চিটাগং ভাইকিংস এরপর আঘাতের পর আঘাত হেনেছে। খুব বড় স্কোর গড়তে দেয়নি ঢাকাকে।

মেহেদী মারুফ যেমন মারতে থাকেন প্রতি ম্যাচে, এই খেলায়ও তাই করলেন। বাউন্ডারিতে নাচিয়ে দিলেন ঢাকাকে। কিন্তু মোহাম্মদ নবি ৪.৫ ওভারে থামান তাকে। মারুফ ২০ বলে ৬ চার ও ১ ছক্কায় ৩৩ রানে ফেরেন।

নাসির হোসেন ও কুমার সাঙ্গাকারা এরপর বেশ ভালো ভাবে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। ৯ ওভার পর ড্রিংকস ব্রেক ছিল। ওই বিরতির পর ফিরেই প্রথম সর্বনাশ ঢাকার। এই আসরের সবচেয়ে গতিশীল বোলার টাইমাল মিলস ৪ বলের মধ্যে তুলে নেন এই দুজনকে। নাসির ২০ ও সাঙ্গাকারা ১৭ রানে আউট।

অধিনায়ক সাবিক আর তরুণ মোসাদ্দেক মিলে জুটি গড়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু ৭ বলে ১৩ রানের ইনিংস খেলে নবির বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন সাকিব। ৭ রানের মধ্যে ২ উইকেট হারায় ঢাকা। ডোয়াইন ব্রাভো (৩) রান আউট।

মোসাদ্দেক সাহসী। হাল ধরেন। ২৮ রান পর্যন্ত উইকেট পড়ে না। কিন্তু তারপর পর পর ৪ ওভারে পড়ে ৪টি। মোসাদ্দেকও ২৬ বলে ২টি করে চার ও ছক্কায় ইনিংস সর্বোচ্চ ৩৫ রানে ফেরেন। বিশাল সংগ্রহের আশা জাগিয়েও তা হয়নি ঢাকার। তবে চিটাগংকে ম্যাচ হারানোর জন্য ওটাই ছিল যথেষ্ট।

তথ্যসূত্রঃ কালের কন্ঠ

Googleplus Pint
Anik Sutradhar
Posts 6946
Post Views 176