MysmsBD.ComLogin Sign Up

Search Unlimited Music, Videos And Download Free @ Tube Downloader

মাশরাফির কুমিল্লার টানা তৃতীয় হার

In ক্রিকেট দুনিয়া - Nov 13 at 10:46pm
মাশরাফির কুমিল্লার টানা তৃতীয় হার

মাশরাফির কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের প্রথম জয়ের অপেক্ষাটা আরেকটু দীর্ঘায়িত হলো। নির্ধারিত ওভার শেষে খুলনা টাইটান্সের ১৪৪ রানের জবাবে তারা ৯ উইকেটে ১৩১ করতে সমর্থ হয়। ১৩ রানের পরাজয়ে এবারের আসরে হারের হ্যাটট্রিক হলো কুমিল্লার!

দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩০ রান আসে মারলন স্যামুয়েলসের ব্যাট থেকে।

কেভন কুপারের বলে প্রথম ওভারেই শুভাগত হোমের হাতে ধরা পড়েন লিটন দাস (৮)। দলের হাল ধরার ইঙ্গিত দিলেও দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় দেন ইমরুল কায়েস (১৬ বলে ২১)। পঞ্চম ওভারে জুনাইদ খানকে ডাউন দ্য উইকেটে খেলতে গিয়ে বোল্ড আউট হন তিনি।

দলীয় ৫১ রানের মাথায় তৃতীয় উইকেট হারায় ‍কুমিল্লা। তরুণ অলরাউন্ডার নাজমুল হোসেন শান্তর (১০) স্ট্যাম্প ভাঙেন শফিউল ইসলাম। ১৩তম ওভারে আসার জাইদিকে (১০) ফিরিয়ে চতুর্থ উইকেটের পতন ঘটান স্পিনার মোশাররফ হোসেন রুবেল।

পরের ওভারেই কুমিল্লার আশার প্রদীপ হয়ে দাঁড়ানো মারলন স্যামুয়েলসকে (৩০) বোল্ড করে খুলনা শিবিরে স্বস্তি এনে দেন শফিউল। এরপর মাশরাফিকে (৫) ক্লিন বোল্ড করে খুলনার জয়ের পথটা আরো সুগম করেন কেভন কুপার। ৯৯ রানে ছয় উইকেট হারায় কুমিল্লা।

এর আগে প্রথম দশ ওভারে এক উইকেটে ৯২ রান তুলে বড় সংগ্রহের আভাস দিয়েছিল খুলনা। এরপরই ছন্দে ফেরে কুমিল্লার বোলাররা। শেষ দশ ওভারে তারা ৫২ রানের বিনিময়ে তুলে নেয় আটটি উইকেট। দেড়শ’র মধ্যে আটকে রাখে খুলনাকে।

টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন কুমিল্লা দলপতি মাশরাফি বিন মর্তুজা। আন্দ্রে ফ্লেচার ও মোহাম্মদ হাসানুজ্জামানের ব্যাটে খুলনার শুরুটা হয় দুর্দান্ত।

ইনিংসের পঞ্চম ওভারে ৪৫ রানের ওপেনিং জুটি ভাঙেন মাশরাফি। ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যান ফ্লেচারকে (২৩) ইমরুল কায়েসের ক্যাচে পরিণত করে ব্রেকথ্রু এনে দেন তিনি।

১১তম ওভারে এসে আবারো দলকে উইকেট উল্লাসে মাতান মাশরাফি। নাবিল সামাদের তালুবন্দি হন শুভাগত হোম (১৬)। এক ওভার ‍ঘুরতেই আবারো মাশরাফির আঘাত। এবার বিপদজনক হয়ে ওঠা হাসানুজ্জামানকে (৩৭) ফিরিয়ে নিজের তৃতীয় উইকেট তুলে নেন। লিটন দাসের গ্লাভসবন্দি হন খুলনা ওপেনার।

মাশরাফির পর খুলনা শিবিরে জোড়া আঘাত হানেন নাজমুল হাসান শান্ত। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের (১১) পর অলক কাপালিকে (৩) সাজঘরে পাঠান ১৮ বছরের এ উঠতি অলরাউন্ডার। দলীয় ১১৭ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে চলে যায় তারা।

শেষ ২৭ রানে খুলনার আরো চার উইকেটের পতন ঘটে। তিনটিই পাকিস্তান পেসার সোহেল তানভীরের দখলে যায়। নিকোলাস পুরান ১২ ও কেভন কুপার ১১ রান করে আউট হন। বাকি উইকেটটি নেন তরুণ আফগান লেগস্পিনার রশিদ খান।

তথ্যসূত্রঃ বাংলানিউজ

Googleplus Pint
Mizu Ahmed
Posts 3837
Post Views 352