MysmsBD.ComLogin Sign Up

হাত-পা ধরে ধর্ষণের ভিডিও মুছলেন শিক্ষক

In দেশের খবর - Nov 10 at 7:06pm
হাত-পা ধরে ধর্ষণের ভিডিও মুছলেন শিক্ষক

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে শ্রেণিকক্ষেই ৫ম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযুক্ত শিক্ষক গা-ঢাকা দিয়েছেন। ঘটনা ধামাচাপা দিতে ইউপি চেয়ারম্যানসহ কয়েকজন প্রভাবশালী তৎপরতা চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ মিলেছে। এনিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এদিকে, ধর্ষণকালে গোপনে ভিডিও ধারণকারী স্থানীয় দুই যুবকের হাত-পা ধরে তা মুছে ফেলা হয়েছে বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, কচাকাটা ইউনিয়নের ছোট ছড়ার পাড় গ্রামের ওই ছাত্রীটি স্কুল ছুটির পর নায়কেরহাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শহিদুল ইসলামের কাছে গণিত প্রাইভেট পড়ত।

গত ২ নভেম্বর প্রাইভেট শেষে তার সহপাঠিরা চলে গেলে শিক্ষকের কথামত সে শ্রেণিকক্ষ ঝাড়ু দিচ্ছিল। এসময় ওই শিক্ষক কক্ষের দরজা লাগিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। বাড়ি ফিরে বিষয়টি সে তার মাকে জানায়।

গোপনে ওই যৌন নির্যাতনের দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারণ করে একই এলাকার রাকিব ও ভেদাং নামের দুই যুবক।

ধর্ষিতার মা বলেন, প্রধান শিক্ষক জাহান আলীর কাছে এর বিচার দাবি করলে তিনি বলেন গোপনে বিষয়টি মিমাংসা করে দেয়া হবে। ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা যাতে এসব প্রকাশ না করি। পরে তিনি ওই শিক্ষককে তিন দিনের ছুটি দেন।

এ সুযোগে ধর্ষক ওই শিক্ষক গা-ঢাকা দিয়েছেন। বুধবার তার বাড়িতে গিয়েও দেখা পাওয়া যায়নি। প্রধান শিক্ষক জাহান আলী বলেন, মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি, কিন্তু কোনও সুরাহা হয়নি।

ভিডিও ধারণকারী ভেদাং জানায় শহিদুল মাষ্টার এসে হাত-পা ধরায় তা নষ্ট করে দেয়া হয়েছে। তবে তাদের বিরুদ্ধে মোটা অংকের টাকা নিয়ে প্রমাণ নষ্ট করার অভিযোগ তুলেছেন এলাকাবাসী।

বিষয়টি জানাজানি হলে কচাকাটা ইউপির চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল গত রোববার স্থানীয় গোলাম মোস্তফার বাড়িতে সালিশি বৈঠকে অভিযুক্ত শিক্ষকের দেড় লাখ টাকা জরিমানা করে ধর্ষিতার পরিবারকে ৭০ হাজার টাকা দিয়ে ঘটনাটি প্রকাশ করতে নিষেধ করেন।

ধর্ষিতার জেঠি বলেন, চেয়ারম্যান তার হাতে এ টাকা তুলে দেন। যা তার কাছে এখনও জমা আছে। বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে অভিভাবক ও এলাকাবাসী।

মঙ্গলবারও সারাদিন স্কুল ও ইউনিয়ন পরিষদের সামনে দফায় দফায় মিছিল করেছে স্থানীয়রা। এখনও উত্তেজনা বিরাজ করছে। ইউপি চেয়ারমান আব্দুল আউয়াল বৈঠকের কথা অস্বীকার করে বলেন আমরা জনপ্রতিনিধি। বিভিন্ন বিচার শালিস করতে হয়।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোসলেম উদ্দিন শাহ বলেন, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম ও ইসাহাক আলীকে বৃহস্পতিবার সরেজমিন তদন্তে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সূত্রঃ যুগান্তর

Googleplus Pint
Mizu Ahmed
Posts 3837
Post Views 533