MysmsBD.ComLogin Sign Up

ত্বকের যত্নে গাছের পাতা

In রূপচর্চা/বিউটি-টিপস - Nov 04 at 8:39am
ত্বকের যত্নে গাছের পাতা

গাছ প্রকৃতির বন্ধু এটা আমরা সকলেই জানি। এবং এটাও জানি যে, এমন অনেক গাছ রয়েছে যেগুলো আমাদের শারীরিক সুস্থতা ও সৌন্দর্যের জন্য উপকারী।

ত্বকে ব্যবহারের জন্য বাজারে যেসব ক্রিম বা লোশন পাওয়া যায়, তার অনেকগুলোই বিভিন্ন গাছগাছালির সঙ্গে রাসায়নিক উপাদান যোগ করে প্রস্তুত করা হয়ে থাকে।

রাসায়নিক মিশ্রিত ত্বকের উপাদান ব্যবহারের চেয়ে সরাসরি প্রাকৃতিক উপাদান করাটাই স্বাস্থ্যসম্মত। অথচ আমাদের আশেপাশে নানা প্রাকৃতিক উপাদান থাকা সত্ত্বেও তা উপেক্ষা করে যাই।

যা হোক, এ প্রতিবেদনে ত্বকের যত্নের জন্য পাঁচটি পাতার কথা উল্লেখ করা হল।

কলাপাতা : ত্বকের জন্য কলাপাতা ওষুধ হিসেবে কাজ করে। যেমন বিষাক্ত মৌমাছির হুল, পোকামাকড়ের কামড়, ফুসকুড়ি, মাকড়সার কামড়, সাধারণ ত্বকের জ্বালা উপশম করে। বিভিন্ন ক্রিম এবং লোশনে লেবেলে আলাটোয়িং নামক একটি ব্যয়বহুল এবং সক্রিয় উপাদানের দেখা যায়, যার উপস্থিতি কলাপাতার মধ্যে পাওয়া যায়। কলা পাতার ওপর কয়েকটি বরফের কিউব ঘষে নিয়ে ত্বকের ওপর প্রয়োগ করলে ত্বক আরো উজ্জ্বল ও সতেজ দেখায়।

তুলসী পাতা : তুলসী পাতা নানাভাবে ত্বকের উপকার করে থাকে। ত্বকে তুলসী পাতা, হুল এবং কামড় থেকে আরাম দেয়। এটা শুধু ব্যথা কমায় না বিষ তুলে ফেলতেও সাহায্য করে। এছাড়া যারা গুরুতর ব্রণের শিকার হন, এক গ্লাস তুলসীর রস পান করতে পারেন কারণ এর অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি ফাংগাল বৈশিষ্ট্য রক্ত পরিশোধন করে ব্রণ থেকে মুক্তি দেয়।

পুদিনা পাতা : পিপারমিন্ট পাতা পুদিনা পরিবারের অন্যতম সদস্য। এই পাতা পাতার পুষ্টি ত্বককে সবল রাখতে, ফোলা কমাতে ও ত্বকের ছিদ্র যতটা সম্ভব কমাতে সাহায্য করে। এটি বার্ধক্যের ফলে হারিয়ে যাওয়া স্থিতিস্থাপকতা পুনরুদ্ধার করে ও অকালবার্ধক্য রোধ করে। পিপারমিন্ট পাতার মধ্যে ভিটামিন ‘এ’ এবং ‘সি’ ত্বকের প্রদাহের সঙ্গে লড়াই করে।

সজনে পাতা : এই গাছের প্রতিটি অংশ ফল, বীজ, ফুল, পাতা, বাকল এবং শিকড়ে নিজস্ব ঔষধি বৈশিষ্ট্য আছে। সজনে পাতা ভিটামিন এ, বি, সি, ডি এবং ই সমৃদ্ধ আর এর প্রদাহজনক বিরোধী বৈশিষ্ট্য পোড়া, ফুসকুড়ি ও ছোটখাট আঘাত নিরাময় করে। সজনে পাতার স্কিন-পরিশোধন এবং থেরাপিউটিক বৈশিষ্ট্য ত্বকে উপস্থিত সব মলিনতা অপসারণ করে।

নিমপাতা : নিম পাতার অ্যান্টিসেপটিক বৈশিষ্ট্য এলার্জি দূরে রাখে। ত্বকে নিমপাতা ঘষে নয়তো বেটে ব্রণ বা পিম্পলে প্রয়োগ করলে স্বস্তি পাওয়া যায়। ব্রণের জন্য প্রচুর ভেষজ ক্রিম এই নিমপাতা দিয়ে তৈরি হয়। ত্বক ছাড়াও, নিমপাতা যথেষ্ট শক্তিশালী শারীরিক কার্যাবলী সচল রাখতে ও বিভিন্ন ধরনের রোগ নিরাময় করতে।

তথ্যসূত্র : ওয়ান ইন্ডিয়া

Googleplus Pint
Mizu Ahmed
Posts 3828
Post Views 243