MysmsBD.ComLogin Sign Up

পুলিশের কানের পর্দা ফাটালো চেয়ারম্যানের ভাগিনা!

In দেশের খবর - Nov 01 at 8:56pm
পুলিশের কানের পর্দা ফাটালো চেয়ারম্যানের ভাগিনা!

অনৈতিক কাজে বাধা দেয়ায় শরীয়তপুর সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যানের ভাগিনা আক্তার হোসেন ঢালী (২৭) পুলিশ সদস্য মো. সেলিম মাতুব্বর (৪২) কে মেরে কানের পর্দা ফাটিয়ে দিয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সদর হাসপাতালের ডাক্তারের কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। মো. সেলিম মাতুব্বর মাদারীপুর জেলার রাজৈর থানার সাতকরিয়া গ্রামের মৃত. আব্দুর ছাত্তার মাতুব্বরের ছেলে।

সরেজমিনে গিয়ে যানা যায়, আক্তার হোসেন ঢালী তার মামা শরীয়তপুর সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন হাওলাদারের নির্দেশে সদর হাসপাতালে কর্মরত ডাক্তার দেবাশীষ সাহাকে একটি অনৈতিক চিকিৎসা সনদ দিতে বলে। তাদের পছন্দমত দিতে অস্বীকার করলে আক্তার হোসেন ঢালী ডা. দেবাশীষ সাহাকে অশ্লীল ও অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে।

এ সময় চিকিৎসা নিতে আসা বুকে প্যাসমেকার বসানো পুলিশ সদস্য সেলিম মাতুব্বর গালাগালি না করার জন্য বলে। তখন আক্তার চড়াও হয়ে সেলিমকে ডান কানে চড় মারলে ফ্লোরে পড়ে যায়। পরে কর্তব্যরত ডাক্তারা তাকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক মাহমুদুল হোসাইন খান, জেলা পুলিশ সুপার সাইফুল্লাহ্ আল মামুন ও শরীয়তপুর সিভিল সার্জন মো. মসিউর রহমান টগর পুলিশ সদস্য সেলিম মাতুব্বরকে সদর হাসপাতালে দেখতে আসেন।মো. সেলিম মাতুব্বর বলেন, পুলিশ লাইনের চিকিৎসক ডা. মনিরুল ইসলাম আমাকে ডা. দেবাশীষ সাহার নিকট পাঠায়।

আমার উপস্থিতিতে ডা. দেবাশীষ সাহা তাদের মত করে চিকিৎসা সনদ দিতে অস্বীকার করায় তাকে আক্তার অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে । আমি তাকে গালাগালি না করার কথা বললে সে আমাকে কানের উপর চড় মারতে শুরু করে। আমি ফ্লোরে পড়ে যাই।

ডা. দেবাশীষ সাহা বলেন, আমি আমার মত করে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছিলাম। হঠাৎ করে আমার কক্ষে আক্তার হোসেন ঢালী ৩-৪জন লোক নিয়ে ঢোকে। ঢুকেই সদর উপজেলার কাশিপুর গ্রামের হোসেন খন্দকারের নামে একটি অনৈতিক চিকিৎসা সনদ দিতে বলে। আমি দিতে অস্বীকার করলে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে। সেলিম গালাগালি করতে না বললে তার কানের উপর চড় মারতে শুরু করে।

সেলিম ফ্লোরে পড়ে যায়। তখন আক্তার তার লোকজন নিয়ে পালিয়ে যায়। আমরা তাকে তাৎক্ষনিক ভর্তি করি এবং কানের ডাক্তার দেখাই। ডাক্তার কনফার্ম করেছে তার কানের পর্দা ফেটে গেছে। আমরা তাকে ঢাকা মেডিকেলে রেফার করিছি।

আমরা ৮জন ডাক্তার মিলে পালং মডেল থানায় আলমগীর হোসেন হাওলাদার, আক্তার হোসেন ঢালী ও জাগরণ এ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছি।

শরীয়তপুর সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন হাওলাদার বলেন, আমার ভাগিনা আক্তার যদি অপরাধ করে তা হলে তার আইনগত বিচার হবে।

জেলা পুলিশ সুপার সাইফুল্লাহ্ আল মামুন বলেন, এ ঘটনায় আক্তারকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। আমরা ওর বিরুদ্ধে মামলা করবো

Googleplus Pint
Noyon Khan
Posts 3254
Post Views 556