MysmsBD.ComLogin Sign Up

[Trick] Uc Browser দিচ্ছে ৪০০০টাকা করে বিকাশে। বাংলাদেশ থেকে প্রথম থেকে ৪০০০ জন পাবে ৪০০০ টাকা করে ।

লাগামহীন ওষুধের বাজারে মালিকদের কাছে জিম্মি সাধারন জনগণ

In অর্থনীতি খবর - Oct 26 at 8:33am
লাগামহীন ওষুধের বাজারে মালিকদের কাছে জিম্মি সাধারন জনগণ

লাগামহীন ভাবে বাড়ছে ওষুধের দাম । গত এক থেকে দেড় মাসে ৬০ থেকে ৯০ ভাগ ওষুধের মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে । ইচ্ছামতো ওষুধের দাম বাড়িয়ে মুনাফা লুটছে উত্পাদনকারী কোম্পানির মালিকেরা আর তাদের কাছে জিম্মি সাধারন জনগণ । ওষুধ প্রযুক্তিবিদরা বলেন, এ দেশের মত ওষুধ নিয়ন্ত্রণে অব্যবস্থাপনা পৃথিবীর আর কোথাও নেই।


সম্প্রতি যেসব রোগের ওষুধের দাম বাড়ানো হয়েছে :ডায়াবেটিস, স্নায়ুরোগ, গ্যাস্ট্রিক, হূদরোগ। এছাড়া ভিটামিন ও ক্যালসিয়ামের দামও বেড়েছে । ওষুধের মূল্য নিয়ন্ত্রণহীনভাবে বেড়েই চলছে। কোন কারণে ওষুধের দাম বাড়ানো হলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিক্রেতাদের কিংবা ভোক্তাদের জানান হয়। কিন্তু এ দেশে উত্পাদনকারী কোম্পানি ইচ্ছামতো ওষুধের দাম বাড়িয়ে থাকে। নিয়ন্ত্রণকারী প্রশাসন দেখেও না দেখার ভান করে। এমন অবস্থা কোম্পানির কাছে প্রশাসন জিম্মি।

ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর সূত্রে বলা হয়, ১৯৯৪ সালে তত্কালীন সরকার কোম্পানিদের ওষুধের দাম বৃদ্ধি নিজস্ব ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। আর অধিদফতরের শুধু ভ্যাট প্রদানের সার্টিফিকেট দেয়ার ক্ষমতা। এ কারণে কোম্পানিগুলো উচ্ছামত ওষুধের দাম বৃদ্ধির সুযোগ পাচ্ছে বলে জানা যায়।

বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতির সভাপতি মো. সাদেকুর রহমান বলেন, জেনেরিক নামের ১১৭টি ওষুধের মূল্য ব্যতীত বাকি বিপুল সংখ্যক বাজারজাতকৃত ওষুধের মূল্য কোম্পানিরা নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। ১৯৯৪ সালে প্রভাব খাটিয়ে কোম্পানি এ সুযোগ নিয়েছে। প্রায় মাসে ওষুধের দাম ইচ্ছামত বাড়াচ্ছে। দেখার কেউ নেই। ওষুধ প্রশাসন ও কোম্পানির কাছে ঠুটো জগন্নাথ। এক থেকে দেড় মাসে অনেক ওষুধের ৬০ থেকে ৯০ ভাগ দাম বৃদ্ধি করেছে। সমিতির পক্ষ থেকে কোম্পানি ও প্রশাসনের কাছে মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদ করা হয়েছে। দরিদ্র ও অসহায় মানুষের নাগালের বাইরে অনেক ওষুধের দাম। ফার্মেসিতে বিক্রেতা অতিরিক্ত মূল্য নিয়ে ক্রেতাদের হাতে মার খাচ্ছেন। এই অবস্থা সমিতি কোনভাবে মেনে নিতে পারে না বলে তিনি জানান।
গত এক থেকে দেড় মাসে যে সকল ওষুধের দাম বেড়েছে সেগুলো হচ্ছে, অস্টোক্যাল-ডি জাতীয় ট্যাবলেট এক কৌটা ১৫০ টাকা থেকে ২১০ টাকা, লসোকোন জাতীয় ট্যাবলেট ১০টির এক পাতা ৪৫ টাকা থেকে ৬০ টাকা, সেকরিন-১ জাতীয় প্রতি ট্যাবলেট সাড়ে ৪টা থেকে ৬টা, এপিট্রা-১ জাতীয় প্রতি ট্যাবলেট ৬ টাকা থেকে ৮ টাকা, ফিলওয়েল সিলভার ও গোল্ড জাতীয় ভিটামিন ৩০ ট্যাবলেটের এক কৌটা ১৯৫ টাকা থেকে ২৮৫ টাকা, নিউরো-বি জাতীয় ট্যাবলেটের এক কৌটা ১৫০ টাকা থেকে ২৪০ টাকা, গ্যালভাস-মেট ৫০ এমজি জাতীয় ট্রাবলেট ৩০টা ৮৪০ টাকা থেকে ৯৪৫ টাকা, ইনসুলিন লেনটাস প্রতিটি ১১১৭ টাকা থেকে ১১৮৯ টাকা, এক্সিয়াম জাতীয় ট্যাবলেট প্রতিটি সাড়ে ৯ টাকা থেকে ১২ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে। প্রায় মাসে এভাবে ওষুধের দাম বাড়ানো হয়ে থাকে বলে বিক্রেতারা জানান।

[Trick] Uc Browser দিচ্ছে ৪০০০ টাকা করে বিকাশে। বাংলাদেশ থেকে প্রথম থেকে ৪০০০ জন পাবে ৪০০০ টাকা করে ।

Googleplus Pint
Asifkhan Asif
Posts 1372
Post Views 227