MysmsBD.ComLogin Sign Up

দাম্পত্য জীবনকে মধুর করে তুলুন ৭টি কৌশলে

In লাইফ স্টাইল - Oct 21 at 12:25am
দাম্পত্য জীবনকে মধুর করে তুলুন ৭টি কৌশলে

সম্পর্ক শব্দটি ছোট হলেও এর ব্যাপ্তি বিশাল। যেকোন সম্পর্ক ভাল রাখার জন্য প্রয়োজন ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, আর কিছুটা যত্নের। আর তা যদি হয় দাম্পত্য সম্পর্ক তবে প্রয়োজন পড়ে একটু বেশি ভালোবাসার একটু বেশি যত্নের। একটি সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য ভালোবাসার পাশাপাশি বিশ্বাসেরও প্রয়োজন রয়েছে। খুব সাধারণ ছোট ছোট বিষয় আপনাদের সম্পর্ককে করে তুলতে পারে আরও বেশি মধুর, আরও বেশি বিশ্বস্ত। এমন কিছু বিষয় নিয়ে আজকের এই ফিচার।

১। পরস্পরকে সময় দিন
অফিসের ব্যস্ততা, সংসারের কাজের চাপে নিজেদেরকে সময় দিতে পারছেন না। আর এতেই দূরত্ব সৃষ্টি হচ্ছে। শত কাজের ভিড়ে নিজেদের জন্য কিছু সময় বের করুন। দিনের কিছুটা সময় পরস্পরকে দিন। রাতে খাবার একসাথে খেতে পারেন। সময় থাকলে একসাথে কোন মুভি দেখতে পারেন।

২। শোনা
একটি ভাল সম্পর্কে যোগাযোগ অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যোগাযোগকে সফল করতে শোনার বিকল্প নেই। কোন কিছু বলার আগে সঙ্গীর কথা মনোযোগ দিয়ে শুনুন, কী বলতে চায় বুঝুন।

৩। ফোনকে দূরে রাখুন
রাতের খাবার খাওয়ার সময় হোক কিংবা গল্প করার মূহূর্তে দুইজনের ফোন দূরে রাখুন। কারণ আপনাদের সুন্দর মূহূর্ত নষ্ট করে দেওয়ার জন্য একটি ফোনকলই যথেষ্ট।

৪। বিশেষ নামে ডাকুন
সবারই ডাকনাম থাকে, যা শুধু পরিবার, বন্ধুরা সম্বোধন করে। ঠিক তেমনি নিজেদেরকে বিশেষ নামে ডাকুন। Social and Personal Relationships এর একটি জার্নালে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে যে, ডাকনাম সম্পর্কে “ইনসাইডার ল্যাঙ্গুয়েজ(insider language)” হিসেবে কাজ করে। যা দম্পতিদের আরও বেশি কাছে নিয়ে আসে।

৫। ক্ষমা করুন
একসাথে থাকতে হলে ঝগড়া হবে, মনমালিন্য হবে। এই ঝগড়াকে গুরুত্ব না দিয়ে ক্ষমা করুন। মনে রাখবেন যার সাথে ঝগড়া করছেন সে আপনার খুব কাছের, ভালোবাসার মানুষ। তাই পরস্পরকে সরি বলুন।

৬। ভালোবাসি বলুন
ভালোবাসি শব্দটির ওজন অনেক। ছোট এই একটি শব্দ অনেক কিছু বহন করে। প্রিয় মানুষটিকে প্রতিদিন একবার হলেও বলুন ভালোবাসি। এই একটি কথা দূরে ঠেলে দেবে সব রাগ, অভিমান আর সম্পর্ককে করবে আরও মধুর।

৭। প্রশংসা করুন
“তোমাকে আজ সুন্দর লাগছে”, "এই পোশাকটা তোমাকে বেশ মানিয়েছে” ছোট ছোট এই প্রশংসা বাক্যগুলো সম্পর্কে ম্যাজিকের মত কাজ করে।

Googleplus Pint
Anik Sutradhar
Posts 7092
Post Views 474