MysmsBD.ComLogin Sign Up

ক্রিকেটারদের কিছু বিশ্বরেকর্ড

In ক্রিকেট দুনিয়া - Sep 19 at 12:03pm
ক্রিকেটারদের কিছু বিশ্বরেকর্ড

ক্রিকেটের জন্ম ইংল্যান্ডে। পরবর্তীতে ব্রিটিশ উপনিবেশগুলোসহ অন্যান্য দেশগুলোতে এই খেলা ব্যাপকভাবে প্রভাব বিস্তার করে। শুধু তাই নয় বিশ্বের জনপ্রিয় খেলার মধ্যে অন্যতম ক্রিকেট।

আজ জেনে নিন এমন কিছু রেকর্ডের কথা...যা হয়তো অনেকেই জানেন না.......

১. ভারতের কে এল রাহুলই একমাত্র ওপেনার যিনি টেস্ট এবং একদিনের আন্তর্জাতিকের অভিষেক ম্যাচেই শতরান করেছেন।

২. সংক্ষিপ্ত ওভারের ক্রিকেটে ভারতের অধিনায়ক মহেন্দ্র সিংহ ধোনি প্রথম অধিনায়ক হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২০০টি ছক্কা মেরেছেন।

৩. পাকিস্তানের শহিদ আফ্রিদি সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে একদিনের ম্যাচে শতরান করেছিলেন। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে নাইরোবিতে ১৯৯৬ সালে ১৬ বছর ২১৭ দিন বয়সে তিনি এই শতরান করেন। পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার হাসান রাজার একদিনের ম্যাচে অভিষেক হয়েছিল মাত্র ১৪ বছর ২৩৩ দিন বয়সে। ১৯৯৬ সালে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে সেই ম্যাচ খেলেন রাজা।

৪. ভারতের টেস্ট অধিনায়ক বিরাট কোহলিই বিশ্বের একমাত্র ব্যাটসম্যান যার টি-২০ ম্যাচে ব্যাটিং গড় ৫০-এর বেশি। অন্য কোনও ব্যাটসম্যানের গড় ৪০-ও না। দ্বিতীয় স্থানে থাকা অস্ট্রেলিয়ার অ্যারন ফিঞ্চের টি-২০ গড় ৩৮.৯৬।

৫. আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১০০টি শতরান করা শচীন টেন্ডুলকার একদিনের ম্যাচে ৯০-এর ঘরে আউট হয়েছেন ১৮ বার।

৬. দক্ষিণ আফ্রিকার সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডার জ্যাক কালিস টেস্ট ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশিবার (২৩) ম্যান অফ দ্য ম্যাচ হয়েছেন। দ্বিতীয় স্থানে মুথাইয়া মুরলীধরন (১৯)।

৭. রাহুল দ্রাবিড় টেস্ট ম্যাচে ৩১,২৫৮টি বল খেলেছেন। তার চেয়ে বেশি বল অন্য কোনও ব্যাটসম্যানই খেলেননি। দ্বিতীয় স্থানে থাকা শচীন খেলেছেন ২৯,৪৩৭টি বল।

৮. অস্ট্রেলিয়ার সাবেক লেগস্পিনার জিমি ম্যাথুজ একমাত্র বোলার হিসেবে একই টেস্টের দুই ইনিংসেই হ্যাটট্রিক

করেন। ১৯১২ সালে ইংল্যান্ডের ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তিনি এই রেকর্ড গড়েন।

৯. একটি ম্যাচে উইকেটরক্ষক ছাড়া অন্য ফিল্ডার হিসেবে সবচেয়ে বেশি (৮টি) ক্যাচ ধরার রেকর্ড অজিঙ্ক রাহানের দখলে। ২০১৫ সালের ১৪ আগস্ট গলে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম টেস্টে তিনি এই রেকর্ড গড়েন।

১০. রিকি পন্টিংয়ের অস্ট্রেলিয়া ২০০৩-এর ১১ জানুয়ারি থেকে ২৪ মে পর্যন্ত টানা ২১টি একদিনের ম্যাচ জিতেছিল। এই ম্যাচগুলির মধ্যে সেবারের বিশ্বকাপও ছিল। ফাইনালে হেরে গিয়েছিল সৌরভ গাঙ্গুলীর ভারত।

১১. কিংবদন্তি বাঁ হাতি স্পিনার বাপু নাদকার্নি ৫০ বছর আগে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চেন্নাই টেস্টে টানা ২৭ ওভার মেডেন বল করেছিলেন। তিনি ৩২ ওভারে মাত্র ৫ রান দেন। সেই রেকর্ড আজও অক্ষত।

১২. দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অধিনায়ক গ্রেম স্মিথ ২০০৩ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে ১০৯টি টেস্টে দলকে নেতৃত্ব দেন। তিনিই সবচেয়ে বেশি টেস্টে দেশের নেতা। অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক অ্যালান বর্ডার ৯৩টি টেস্টে নেতৃত্বে ছিলেন।

১৩. ইংল্যান্ডের জিম লেকার একটি টেস্টে ১৯টি উইকেট নেওয়ার রেকর্ড গড়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে। প্রথম ইনিংসে ৯ উইকেট নেওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে নেন ১০ উইকেট। ভারতের বর্তমান কোচ অনিল কুম্বলে দ্বিতীয় বোলার হিসেবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দিল্লি টেস্টে এক ইনিংসে ১০ উইকেট নেন।

১৪. নিউজিল্যান্ডের সাবেক পেসার ক্রিস মার্টিন সবচেয়ে বেশিবার (৭) টেস্টের দুই ইনিংসেই শূন্য রানে আউট হওয়ার লজ্জাজনক রেকর্ড গড়েছেন। ৭১টি টেস্টে তিনি মোট ৩৬ বার শূন্য রানে আউট হয়েছিলেন।

১৫. একটি টেস্ট ইনিংসে সবচেয়ে বেশি ছক্কা মারার রেকর্ড কিন্তু পাকিস্তানের সাবেক পেসার ওয়াসিম আকরামের। তিনি জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ১৯৯৬ সালে ২৫৭ রানের ইনিংসে ১২টি ছক্কা মেরেছিলেন। ১৯৩২-৩৩ সালে ইংল্যান্ডের ওয়ালি হ্যামন্ড অকল্যান্ড টেস্টে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৩৩৬ রানের ইনিংসে ১০টি ছক্কা মেরেছিলেন। সেই রেকর্ড ভেঙে দেন আকরাম।

১৬. হ্যাটট্রিক তো অনেকেই করেছেন। কিন্তু কুয়াডট্রিক? মানে পরপর চার উইকেট! এটি করেছেন একমাত্র লসিথ মালিঙ্গা। শ্রীলঙ্কার এই পেসার ২০০৭ সালে একদিনের বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে পরপর চার বলে শন পোলক, অ্যান্ড্রু হল, জ্যাক কালিস ও মাখায়া এনতিনিকে আউট করেন।

১৭. সাবেক ক্যারিবিয়ান পেসার কোর্টনি ওয়ালশ টেস্টে সবচেয়ে বেশিবার (৪৩) শূন্য রানে আউট হয়েছেন।

১৮. শেন ওয়ার্নের ব্যাটিংয়ের হাত খারাপ ছিল না। কিন্তু তিনি কোনওদিন টেস্টে শতরান করতে পারেননি। সর্বোচ্চ রান ৯৯।

১৯. পাকিস্তানের সাবেক পেসার ওয়াকার ইউনুসই একমাত্র বোলার যিনি পরপর তিনটি একদিনের ম্যাচে ৫টি করে উইকেট নিয়েছিলেন।

২০. দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক ক্রিকেটার হার্শেল গিবসই একদিনের ম্যাচে প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে এক ওভারে ৬টি ছক্কা মারেন। তিনি এই রেকর্ড গড়েছিলেন নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে। যুবরাজ সিং ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে এই রেকর্ড গড়েছিলেন তবে সেটা টি-২০ ক্রিকেটে।

২১. পাকিস্তানের কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান জাভেদ মিয়াঁদাদ টানা ৯টি একদিনের ম্যাচে অর্ধশতরান করার রেকর্ড গড়েছিলেন ৩০ বছর আগে। সেই রেকর্ড আজও অক্ষত।

২২. শ্রীলঙ্কার সনৎ জয়সূর্যর একদিনের ম্যাচে ১৭ বলে ৫০ করার রেকর্ড প্রায় ২০ বছর অক্ষত ছিল। সেই রেকর্ড ভেঙে দেন দক্ষিণ আফ্রিকার বিধ্বংসী ব্যাটসম্যান এবি ডিভিলিয়ার্স (১৬ বলে ৫০)।

Googleplus Pint
Mizu Ahmed
Posts 4150
Post Views 497