MysmsBD.ComLogin Sign Up

তিমির পেট থেকে ৩ দিন পরে বেঁচে ফিরলেন মৎস্যজীবী!

In সাধারন অন্যরকম খবর - Aug 30 at 10:53am
তিমির পেট থেকে ৩ দিন পরে বেঁচে ফিরলেন মৎস্যজীবী!

ঝড়ে জলযান থেকে ছিটকে জলে পড়ে গিয়েছিলেন তিনি। এরপরেই ঘটে সব থেকে আশ্চর্য ঘটনা। জলে পড়ে যাওয়া ব্যক্তি মারকোয়েজ আবিষ্কার করেন, তিনি এক বিরাট তিমির পেটে।

সিন্দবাদ নাবিকের অ্যাডভ্যাঞ্চার মনে আছে? মাঝসমুদ্রে জাহাজডুবির পরে একবার সেই মহানাবিক সোজা এক তিমির পেটে গিয়ে পড়েছিলেন। তার পরে অনেক কাণ্ড করে বেরিয়ে আসে সে। এই কাহিনীকে ছোটবেলা থেকেই অবিশ্বাস করতে শিখিয়েছে বাস্তবতা।

কিন্তু স্পেনীয় মৎস্যজীবী লুইগি মারকোয়েজের কাহিনী জানার পরে তাকে আর অবিশ্বাস্য বলে মনে হবে না কারো।

৫৬ বছর বয়সি লুইগি সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে ভয়াবহ ঝড়ের সামনে পড়েন। ঝড় থামলে বিস্তর তল্লাশি চালিয়েও তার কোনো খোঁজ মিলাতে পারেননি উপকূলরক্ষীরা। তাকে মৃত বলে যখন সবাই ভেবেছেন, ঠিক এমন সময়েই নাটকীয়ভাবে তিনি ফিরে আসেন।

ফিরে এসে মারকোয়েজ জানান, ঝড়ে জলযান থেকে ছিটকে তিনি জলে পড়ে যান এবং তার পরেই ঘটে আশ্চর্য ঘটনা। মারকোয়েজ আবিষ্কার করেন, তিনি এক তিমির পেটে। সেখান থেকে তিনি যখন বেরিয়ে আসেন, ততক্ষণে তিনদিন কেটে গিয়েছে।

কিন্তু এই তিনদিন নরকযন্ত্রণার চাইতেও বেশি কিছু মনে হত। তমির জঠরের নিকষ অন্ধকারে কেবলমাত্র তাঁর ওয়াটারপ্রুফ ঘড়ির আলোকে সম্বল করে তিনি বেঁচে থেকেছেন। তিমির গিলে ফেলা কাঁচা মাছই ছিল তার এই তিন দিনের একমাত্র আহার। তার উপরে সেই দানবীয় উদরের অন্দরমহলের দুর্গন্ধ! সেই দুর্গন্ধের তুলনা তিনি কোনো কিছুর সঙ্গেই করে উঠতে পারবেন না সারাজীবনেও, জানিয়েছেন মারকোয়েজ।

তিমির পেটে যাওয়া এবং সেখান থেকে বেঁচে বেরিয়ে আসার ঘটনা মোটেই নতুন কিছু নয় জাহাজি-দুনিয়ায়। ২০১৫-য় পর্তুগালের দুই স্কুবা ডাইভারও একইভাবে তিমির পেটে চলে গিয়েছিলেন। কোনোভাবে বেঁচে ফিরে তারাও একই অভিজ্ঞতা ব্যক্ত করেন। নীলতিমির উদরে প্রবেশ ও সেখান থেকে বেঁচে ফেরার ঘটনা জাহাজিদের কাছে সাধারণ বিষয়।

কিন্তু ডাঙার পৃথিবীতে তা অবিশ্বাস্য। অনেকটা সিন্দবাদের রূপকথার মতোই।

Googleplus Pint
Noyon Khan
Posts 3562
Post Views 450