MysmsBD.ComLogin Sign Up

বুদ্ধিমানদের যত বদভ্যাস

In লাইফ স্টাইল - Aug 16 at 10:11am
বুদ্ধিমানদের যত বদভ্যাস

বুদ্ধিমান মানুষেরা নিশ্চয়ই জীবনে অনেক উন্নতি করেন, তাই না? নিশ্চয়ই তারা উন্নতি করেন। কিন্তু ব্যক্তিজীবনে কেমন মানুষ হন তারা? তারা কি খুবই গোছালো হন? সব কাজ সময়মত করেন? মেনে চলেন কোন নির্দিষ্ট রুটিন?

গবেষণা বলছে, বুদ্ধিমানরা বরং আর ১০ জন মানুষের চেয়ে বেশী এলোমেলো হয়। তাদের থেকে নানান রকম বদভ্যাস। তাই নিজের ছেলেবেলা মনে করে দেখুন! কি করতেন আপনি? সাড়া ঘর অগোছালো করে রাখতেন? আপনাকে কোনভাবেই সময়মত স্কুলে পাঠানো যেত না? বাবা-মা ক্লান্ত হয়ে যেতেন আপনাকে সামলাতে সামলাতে? তাহলে খুশী হয়ে যান। বুদ্ধিমান বলেই এরকম করতেন আপনি।

• বুদ্ধিমানেরা যেসব বদভ্যাস ধরে রাখেন.....

অভদ্র ভাষা
সাধারণভাবে আমরা মনে করি অশিক্ষিত মানুষেরাই যা তা ভাষা ব্যবহার করেন। কিন্তু তথ্যটি সঠিক নয় মোটেই। বুদ্ধিমান মানুষেরা অনেক বাজে ভাষা জানেন এবং ব্যবহার করেন। কারণ তাদের জ্ঞান অনেক। বিভিন্ন ভাষা থেকে শব্দ সংগ্রহ করে নিজেদের শব্দ ভান্ডারকে সমৃদ্ধ করেন তারা। তাই ভাল শব্দ যেমন বেশী জানেন, খারাপ শব্দও জানেন। ব্যবহারও করেন। তারাই আসলে অভদ্র ভাষা ব্যবহার করেন না যাদের শব্দ ভান্ডার সীমিত।

কিছু আমেরিকান একাডেমী একটি মজার গবেষণা করেন। তারা মানুষকে যত বেশী সম্ভব বাজে শব্দ বলতে বলেন। ফলাফল ছিল বিস্ময়কর। সবচেয়ে বেশী এধরণের শব্দ বলা মানুষেরা আইকিউ টেস্টেও সবচেয়ে বেশী স্কোর করেছিল। তাদের কথা বলার ক্ষমতাও অনেক বেশী। যারা কম বাজে শব্দ বলতে পারছে তাদের কথা চালিয়ে যাওয়া, বক্তব্য দেওয়া ইত্যাদি ক্ষমতাও কম।

তবে হ্যাঁ, বুদ্ধিমানেরা শুধু শব্দ বেশী জানেন তা নয়। তারা সঠিক ক্ষেত্রে সঠিক শব্দ ব্যবহার করতেও পারদর্শী হন। আবার পরিবেশ পরিস্থিতি বুঝে চুপ থাকতেও জানেন তারা।

তারা রাত জাগেন
বেশীরভাগ বুদ্ধিমান মানুষেরাই রাত জেগে কাজ করেন। দেরীতে ঘুমানো এবং সকালে দেরীতে ওঠা তাদের নিত্যদিনের অভ্যাসে পরিণত হয়। বিভিন্ন গবেষণার ফলাফলে বিজ্ঞানীরা এখন রাত জাগাকে বুদ্ধিমানদের বদভ্যাস নয়, বরং বুদ্ধিমানরাই রাত জাগেন এমন বলতে পছন্দ করছেন।

দীর্ঘদিন যাবৎ বিশেষজ্ঞরা গবেষণা করেছেন এবং তারা এই সিদ্ধান্তে পৌছেছেন যে রাত জাগেন যারা তারা আসলে উচ্চমাত্রার বুদ্ধিমান হয়ে থাকেন। তো আপনি যদি রাত জেগে থাকতে ভালবাসেন তাহলে আসলে আপনি বেশী কাজ করেন। শুধু তাই নয় আপনি চার্লস ডারউইন, উইনস্টন চার্চিল এবং এলভিস প্রিসলের সহচর।

অগোছালো ঘর
মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এক গবেষণায় দেখা গেছে, অগোছালো টেবিল মানে এই নয় যে ব্যবহারকারী সাধারণ একজন অগোছালো মানুষ। বরং তিনি তার মস্তিষ্ক সেই সব কাজেই ব্যয় করেন যেগুলো প্রকৃতপক্ষেই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি ফোকাস করেন তার কাজে, নির্দিষ্ট লক্ষ্যে। আমরা যারা আসলে কোন কাজ পাই না, তারাই ঘরদোর গুছিয়ে সময় ব্যয় করি। বুদ্ধিমান মানুষেরা ঘরগোছালেও সেটা হয় তার সৃজণশীলতার প্রকাশ, বুদ্ধির এক ঝলক।

মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, এলোমেলো পরিবেশ মানুষের সৃষ্টিশীল মনকে জাগ্রত করে। তাকে নতুন চিন্তা করতে আগ্রহী করে তোলে এবং ভিন্ন উপায়ে ভাবতে বাধ্য করে। এভাবেই শাণিত হয় বুদ্ধি!

Googleplus Pint
Anik Sutradhar
Posts 6743
Post Views 429