MysmsBD.ComLogin Sign Up

ঘোড়ার পিঠে 'পাঠাগার'

In সাধারন অন্যরকম খবর - Jul 18 at 11:37pm
ঘোড়ার পিঠে 'পাঠাগার'

পাঠাগার মানেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে হাজারো বইয়ে ঠাঁসা পিনপতন নিরব একটি কক্ষ। যেখানে আপনমনে সবাই পড়ছেন, হারিয়ে গিয়েছেন বইয়ের ভূবনে।

বর্তমানে অবশ্য পাঠাগার ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন এসেছে। আগে পাঠকরা পাঠাগারে গিয়ে পড়লেও এখন পাঠাগারই চলে আসছে আপনার দরজায়। বাংলাদেশে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের ব্যবস্থাপনায় চালু আছে ভ্রাম্যমান পাঠাগার। যেখান থেকে ছেলে-বুড়ো সবাই সংগ্রহ করতে পারছেন নিজ পছন্দের বই।

এমনই এক ভ্রাম্যমান পাঠাগার চালু আছে ইন্দোনেশিয়ার প্রত্যন্ত গ্রাম সেরাংয়ে। তবে বাস বা ট্রাকে নয়, সেই পাঠাগার চলে ঘোড়ার পিঠে! খবর এএফপির।

জাভা দ্বীপের বানটেন প্রদেশের গ্রামটিতে এ পাঠাগার চালু করেছেন রিদওয়ান সুরুরি। একটি সাদা ঘোড়ার পিঠে বইয়ে ঠাসা ভ্রাম্যমাণ পাঠাগার নিয়ে তিনি ছুটে চলেন পুরো গ্রামে।

সপ্তাহের নির্দিষ্ট একটি দিনে বই নিয়ে গ্রামে পৌঁছান সুরুরি।
সুরুরির ঘোড়ার শব্দ পেলেই ছোটে আসে গ্রামের শিশুরা, আর ফিরে নতুন বইয়ের গন্ধ নিতে নিতে।



এই পাঠাগারের সদস্য কেবল ছোট্ট শিশুরাই নন। বয়স্করাও সুরুরির পাঠাগারের নিয়মিত সদস্য। তবে পাঠাগারের সদস্যদের নতুন বই নিতে হলে আগের সপ্তাহে নেয়া বই ফেরত দিতে হয়। আর বইগুলো পড়তে হবে সযত্নে।

সুরুরি বলেন, তেমন কোনো পরিকল্পনা ছিল না। এক বন্ধুর কাছ থেকে ১০০টি বই নিয়ে ২০১৫ সালে পাঠাগারটি চালু করি। ধীরে ধীরে বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংস্থার সহায়তায় বইয়ের সংখ্যা বেড়েছে।

দেশটির শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী ২০১৩ সালে শিক্ষার হার ৯৬ শতাংশে পৌঁছেছে। তবে জাভা সহ বেশ কয়েকটি প্রদেশ শিক্ষার হারের দিক থেকে এখনো পিছিয়ে।

এ অবস্থার পরিবর্তন ও শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে সুরুরির 'ঘোড়ার পিঠের পাঠাগার' দৃষ্টান্ত হতে পারে বলে মনে করেন স্থানীয়রা।

Googleplus Pint
Noyon Khan
Posts 3503
Post Views 181