MysmsBD.ComLogin Sign Up

নতুন করে জীবন শুরু করার জন্য ৩টি সহজ পদক্ষেপ

In লাইফ স্টাইল - Jul 17 at 1:24pm
নতুন করে জীবন শুরু করার জন্য ৩টি সহজ পদক্ষেপ

প্রতিদিন কর্মস্থলে আট ঘন্টা কাজের পর আমাদের প্রায় সকলেই ক্লান্ত-পরিশ্রান্ত থাকি। আর তাছাড়া কর্মস্থলে পৌঁছানোর বা বাসায় ফিরে আসার জন্য যে সময় ব্যয় হয় সবমিলিয়ে আমাদের হাতে ঘুমানোর সময় ছাড়া আরা কোনো সময় অবশিষ্ট থাকে না।

প্রতিদিনের রুটিন অনেকটা এমন দাঁড়িয়ে যায়। ঘুম থেকে উঠে কর্মস্থলে যাও আবার কাজ শেষে বাড়ি ফিরে এসে ঘুমাও। প্রতিদিন একই রুটিনের পুণরাবৃত্তি ঘটতে থাকে। এতে যদি কেউ ক্লান্ত-পরিশ্রান্ত হয়ে পড়েন তাতে বিস্ময়ের কিছু নেই।

কিন্তু এই দুষ্টচক্র থেকে বেরিয়ে আসার উপায় কী? কী করে আপনি আপনার জীবন নতুন করে শুরু করতে পারেন? আপনার জীবনে নতুন কিছু যোগ না করেই এটা করা সম্ভব। মনোভঙ্গী, ঘুম এবং খাবার এই তিনটি বিষয়ে শৃঙ্খলা আনয়নের মাধ্যমেই এটা করা সম্ভব।

১. মনোভঙ্গী
কোনো কাজ করতে গিয়ে যদি আপনার এমন মনে হয় যে আপনার মস্তিষ্ক গুপ্তঘাতকের মতো আপনাকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে, তাহলে আপনি কী করতে পারেন? এক্ষেত্রে আপনাকে যা করতে হবে তা হলো- নিজের সঙ্গে আপনি কোনো বন্ধু, সহকর্মী, অথবা যাকে ভয় দেখানো হয়েছে যে সে যা করতে চায় তা করতে পারবে না এমন কোনো শিশুর সঙ্গে কথা বলার মতো করেই কথা বলুন।

যখনই নতুন কিছু করতে যাবেন তখনই নিজের প্রতি দয়াবান হোন, যেমন করে আপনি অন্যদের প্রতিও দয়াবান হতেন। আপনি নিজেই নিজের সবচেয়ে বড় সমালোচক। কিন্তু আপনি নিজেই আবার নিজের সবচেয়ে শক্তিশালি রক্ষাকর্তাও হতে পারেন। সুতরাং নিজের জন্যই নিজের সঙ্গে বা নিজের বিরুদ্ধে লড়াই করুন।

২. ঘুম
পর্যাপ্ত ঘুম ছাড়া আমরা আসলে মাতালের মতোই দিন পার করি। এর অর্থ হলো ক্লান্তি ও দ্রুত এবং স্মার্টনেসের সঙ্গে কোনো কিছুর প্রতি সাড়া দিতে ব্যর্থতা।

“দুর্বলদের জন্যই ঘুম” এই বলে যে গুজবটি প্রচলিত আছে তার উল্টোটাই বরং সত্য। ঘুম ছাড়া আপনি দুর্বল হয়ে পড়বেন। ঘুম ছাড়া আপনি আরো বেশি বিরক্তিকর, ধীরগতির, বোকা এবং সহজেই অসুস্থ হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে থাকবেন।

একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন অন্তত ৭ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুম দরকার। প্রথম প্রথম দুই থেকে তিন সপ্তাহ প্রতিদিন আগের চেয়ে একটু আগে আগে ঘুমানোর চেষ্টা করুন। আগে যে সময়ে ঘুমাতে যেতেন এখন প্রতিদিন তার চেয়ে অন্তত ১৫ থেকে ২০ মিনিট আগে ঘুমানোর চেষ্টা করুন।

এটা অবশ্যই করণীয় একটি কাজ। ঘুম ছাড়া আপনার দেহ এবং মন দুর্বল ও ধীরগতির হয়ে পড়বে এবং আপনি করতে চান এমন নতুন কোনো তৎপরতার সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারবে না।

৩. খাবার
আমাদের প্রায় সকলেই নিশ্চয়ই এই বাগধারাটি শুনেছি, “আপনি তা যা আপনি খান”।

নিজেকে শক্তসামর্থ্য অনুভব করার জন্য যদি আপনি যা খান তার প্রতি নজর দেন তাহলে সাধারণ নিয়মগুলো হলো :

১. যখন ক্ষুধা লাগবে শুধু তখনই খাবার খান। কিন্তু যখন ক্ষুধা থাকবেন না তখন খাবার খাবেন না।

২. খাবারের সময় মনোযোগ দিন। খাবার গেলার আগে অন্তত ২০ বার তা চিবিয়ে নিন। নিজেকে খাবারের স্বাদ গ্রহণ ও হজমের সুযোগ করে দিন। আর মনে রাখবেন, যে দুপুরের খাবার ৪৫ মিনিট ধরে খাওয়ার জন্যই আপনার দেহ প্রস্তুত হয়েছে; তা আপনি ক্যান্টিন লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পর ১৫ মিনিটেই খেতে পারেন না।

৩. খাবার খাওয়ার সময় একই সঙ্গে তিন কাজে লিপ্ত হবেন না। কারণ আপনার দেহকে সেভাবে তৈরি করা হয়নি।

৪. এমন খাবার খান যা প্রকৃত অর্থেই খাদ্য। আপনার দাদীর দাদী যা খাবার মনে করতেন তা-ই খান। তবে যাদের টাকার অভাবে আছে তাদের জন্য প্রকৃত খাবার খাওয়াটা একটু ব্যয়বহুলই হয় বটে। অবশ্য সস্তায় কীকরে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া সম্ভব এ সম্পর্কিত অসংখ্য নিবন্ধ ও বই আছে যেগুলোর সহায়তা নিতে পারেন আপনি।

Googleplus Pint
Anik Sutradhar
Posts 7103
Post Views 445