MysmsBD.ComLogin Sign Up

[Trick] Uc Browser দিচ্ছে ৪০০০টাকা করে বিকাশে। বাংলাদেশ থেকে প্রথম থেকে ৪০০০ জন পাবে ৪০০০ টাকা করে ।

৮ লক্ষণে বুঝবেন বিয়ের সম্পর্ক টিকবে কি টিকবে না

In লাইফ স্টাইল - Jul 04 at 5:47pm
৮ লক্ষণে বুঝবেন বিয়ের সম্পর্ক টিকবে কি টিকবে না

বিয়ে বিচ্ছেদ নিয়ে কাজ করেন যুক্তরাষ্ট্রের এমন আইনজীবীরা বলেছেন, কোনো বিয়ের সম্পর্ক টিকবে কি টিকবে না তা এই ৮টি লক্ষণ দেখে বোঝা যাবে.....

১. পরস্পরকে নীরবে ঘায়েল করে
''বিবাহিত কোনো যুগল যদি ঝগড়া করার পর পরস্পরকে নীরবে ঘায়েল করতে থাকে তাহলে তা খুবই বাজে লক্ষণ। স্বাস্থ্যকর সম্পর্কের জন্য মাঝেমধ্যে ঝগড়া-ঝাটি করা ভালো। কিন্তু তা যদি খেলাচ্ছলে না হয়ে বরং নিয়মিত হয়ে দাঁড়ায় এবং পরস্পরের মাঝে পাথরকঠিন দূরত্বের দেয়াল তৈরি করে দেয় তাহলে তা বিয়ের সম্পর্কে দীর্ঘমেয়াদি সাফল্যের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে,'' বলেছেন, নিউ ইয়র্ক সিটির অ্যাটর্নি ও ডিভোর্স কোচ জেসন লেভয়।

২. যৌনজীবন নিষ্প্রভ
''যৌনতা ছাড়া যে দাম্পত্য জীবন একেবারেই অচল হয়ে পড়ে তা নয়। কিন্তু একটা কথা সব সময়ই মনে রাখতে হবে আমরা হলাম গিয়ে জীবন্ত মাখলুকাত; আর যৌনমিলনের জন্য আমাদের আকাঙ্ক্ষাও একদমই স্বভাবিক। তবে এটাও সত্যি যে, যৌনতা ছাড়াও সম্পর্ক টিকে থাকতে দেখা যায়। তবে প্রায়ই আমি এমন দম্পতির দেখা পাই যারা বছরের পর বছর যৌনমিলন ছাড়াই একসঙ্গে কাটিয়ে দিয়েছেন,'' বলেছেন, জর্জিয়ার আটলান্টার অ্যাটর্নি র‌্যান্ডেল এম কেসলার।

৩. তাদের মধ্যে খুব কম বিষয়েই মিল রয়েছে
''এটা সত্যি যে, অনেকে তার নিজের বিপরীত বৈশিষ্ট্যের লোকের প্রতি আকৃষ্ট হন। কিন্তু তার মানে এই নয় যে শুধু ওই আকর্ষণের ফলেই বিয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি সম্পর্ক টিকে যাবে। উদাহরণত, যদি এমন হয় যে, কেউ একজন খুবই বহির্মুখী স্বভাবের এবং এমনকি ভোররাত পর্যন্ত বাইরে থাকতে পছন্দ করেন কিন্তু তার সঙ্গী বা সঙ্গিনী এক গ্লাস গরম দুধ ও একটি ভালো বই পড়ে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যেই উষ্ণ গোসল সেরে বিছানায় যেতে চান। এমন বিপরীতমুখী জীবনাচার নিয়ে তারা খুব বেশিদিন একসঙ্গে থাকতে পারবেন না,'' বলেছেন, ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসের ডিভোর্স অ্যাটর্নি লিসা হেলফেন্ড মেয়ার।

৪. পরিবারের চেয়ে ক্যারিয়ারকে বেশি গুরুত্ব দেয়
''কোনো দম্পতির কেউ একজন যদি তার ক্যারিয়ারকেই সব সময় আর সব কিছুর ওপর স্থান দেন; এমনকি তাদের দাম্পত্য সম্পর্কেরও উর্ধ্বে তুলে ধরেন তাহলে তা সমস্যারই কথা বটে। এমনকি বিয়ের সময় যদি এ ব্যাপারে কোনো সমঝোতাও হয়ে থাকে তাহলেও তা সমস্যার সৃষ্টি করবে। উদাহরণত, আমার ফার্ম এমন কিছু সেনাসদস্যর হয়ে মামলা লড়েছে যার পার্টনার প্রথমে নিজের ক্যারিয়ার বিসর্জন দিয়ে এবং পরিবারের লালন-পালনের দায়িত্ব নিজের কাঁধে নিয়ে তাকে ক্যারিয়ারে এগিয়ে যেতে সহায়তা করতে রাজি হয়েছে। কিন্তু বছর না যেতেই ঘরে বসে থাকা জন অতিষ্ঠ হয়ে ওঠেন। এমনকি সবচেয়ে শক্তিশালী দাম্পত্য সম্পর্কও ক্ষয়ে যায় যখন দম্পতিদের কেউ একজন তাদের সম্পর্কের চেয়েও ক্যারিয়ারকেই বেশি গুরুত্ব দেন,'' বলেছেন, ফ্লোরিডার টাম্পার ডিভোর্স অ্যাটর্নি ক্রিশ্চিয়ান ডেনমোন।

৫. একে অপরকে অবজ্ঞা করে
''চোখ রাঙিয়ে কথা বলা, হেয় করা এবং পরস্পরকে অবজ্ঞা করা এসব হলো কোনো দাম্পত্য সম্পর্ক যে শিগগিরই ভেঙে যাবে তার পূর্ব লক্ষণ। সুখী দাম্পত্য জীবনের জন্য যুগলদেরকে যে সব সময়ই চোখে চোখ রেখে প্রেমে গদগদ হয়ে কথা বলতে হবে তাও ঠিক নয়। তবে নিজেদের মধ্যকার ভিন্নতাগুলোকে পরস্পর মূল্যায়ন করতে শিখতে হবে। পার্টনারের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতাগুলোকে তার বোকামি বা ভুল হিসেবে গণ্য করাটা কখোনোই ঠিক হবে না,'' বলেছেন, ইলিনয়ের শিকাগোর অ্যাটর্নি এবং ডিভোর্স কোচ ক্যারেন কোভি।

৬. পরস্পরের ভালোবাসা বিনিময়ের ভাষাকে সম্মান করে না
''আপনার সঙ্গী বা সঙ্গিনীর প্রেম নিবেদনের ভাষা জানা অর্থাৎ কীভাবে প্রেম নিবেদন করলে তিনি নিজেকে সমাদৃত মনে করবেন সে সম্পর্কে সতর্ক হওয়াটা জরুরি। এটা ছাড়া বিয়ের সম্পর্কে দীর্ঘমেয়াদি সাফল্য পাওয়া সম্ভব নয়। এমনও হতে পারে যে, কোনো দম্পতি পরস্পরকে হয়তো ঠিকই ভালোবাসেন; কিন্তু প্রেম নিবেদনের ভাষার ভিন্নতার কারণে তারা নিজের প্রতি যে তার সঙ্গী বা সঙ্গিনীর সত্যিই ভালোবাসা আছে তা বুঝতে পারেন না। উদাহরণত, কোনো দম্পতির একজন যদি সহযোগিতামূলক কর্মকাণ্ড বা উপহার দেওয়ার মাধ্যমে অপরজনের প্রতি তার ভালোবাসার প্রকাশ ঘটান; কিন্তু অপরজন মৌখিক স্বীকৃতি, প্রেমপূর্ণ স্পর্শ বা একসঙ্গে সময় কাটানোর মাধ্যমেই ভালোবাসা পেয়েছেন বলে মনে করেন তাহলে তাদের মধ্যে ভালোবাসার আদান-প্রদান নাও ঘটতে পারে,'' বলেছেন, ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের ম্যারিনা ডেল রে এর অ্যাটর্নি এবং মধ্যস্থতাকারী ডেনিস এ কোহেন।

৭. খরচের ব্যাপারে সৎ নয়
''বিয়ে একটি অংশীদারত্বমূলক সম্পর্ক। সূতরাং কোনো দম্পতির দুজনেরই উচিত পরিবারের ব্যয়ভার সমভাবে বহন করা এবং ব্যাপারে পরস্পরের কাছে জবাবদিহিতাও থাকা দরকার। পরিবারের ব্যয়ভার দুজনে ভাগাভাগি করে নিলে বিপদের সময় দুজনের পক্ষেই অতিরিক্ত ব্যয় করাও সম্ভব হয়। দম্পতিরা চাইলে আলাদা আলাদা বা যৌথ ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা রাখতে পারেন। কিন্তু টাকা কীভাবে ব্যয় হচ্ছে বা জমা হচ্ছে সে ব্যাপারে যদি স্বচ্ছতা না থাকে তাহলে বাড়ি কেনা বা অবসর কাটানোর পরিকল্পনার মতো কোনো আর্থিক লক্ষ্য নির্ধারণ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে,'' বলেছেন, ক্যালিফোর্নিয়ার স্যান দিয়েগোর ডিভোর্স অ্যাটর্নি পুজা এ সাচদেভ।

৮. কখনোই ঝগড়া করেন না
''অনেক দম্পতির মাঝেই বিব্রতকর পরিস্থিতি ও সমস্যা এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়; এ জন্য তারা কোনো 'সত্য গোপন করেন' বা তাদের মনের ভেতর যা আছে তা উপেক্ষা করেন ও লুকিয়ে রাখেন। এর ফলে শুধু ভেতরে ভেতরে অসন্তোষই জমা হতে থাকে। মনে রাখবেন আপনার স্বামী বা স্ত্রীই আপনার সবচেয়ে বড় বন্ধু, বিশ্বস্ত ব্যক্তি ও সবচেয়ে বড় ভালোবাসর জন। সূতরাং স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কটা এমন হওয়া উচিত যেন তারা পরস্পরের সঙ্গে সব ধরনের কথাই বলতে পারে। বিয়ের সম্পর্ক না ভেঙেই পরস্পরের প্রতি করা মন্তব্যগুলো পরস্পরের মেনে নেওয়ার সক্ষমতাও থাকতে হবে,'' বলেছেন, নিউ ইয়র্ক সিটির ডিভোর্স অ্যাটর্নি ডগলাস এস কেপানিস।

[Trick] Uc Browser দিচ্ছে ৪০০০ টাকা করে বিকাশে। বাংলাদেশ থেকে প্রথম থেকে ৪০০০ জন পাবে ৪০০০ টাকা করে ।

Googleplus Pint
Anik Sutradhar
Posts 6834
Post Views 681