MysmsBD.ComLogin Sign Up

অবসর ভেঙে ফিরে এসেছিলেন যে তারকারা

In খেলাধুলার বিবিধ - Jun 30 at 9:51am
অবসর ভেঙে ফিরে এসেছিলেন যে তারকারা

কোপায় চিলির কাছে লজ্জার হারের পর বিশ্বকে চমকে দিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়েছেন লিওনেল মেসি। মাত্র ২৯ বছর বয়সে আর্জেন্তিনার এই প্রজন্মের সেরা ফুটবলারের অবসরে অবাক ফুটবলপ্রেমীরা। অবসর ভেঙে কি মেসি ফিরে আসবেন? লাখ টাকার এই প্রশ্নের এখনই কোনও উত্তর না থাকলেও ফুটবল থেকে ক্রিকেট— অবসর ভেঙে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরে আসার নজির কিন্তু কম নেই।

এক নজরে দেখে নেওয়া যাক ক্রিকেট-ফুটবলের এমন কিছু নক্ষত্রকে, যাঁরা অবসর ভেঙে ফিরে এসেছিলেন....

জিনেদিন জিদান : ১৯৯৮ বিশ্বকাপ এবং ২০০০ সালের ইউরো কাপ জেতার পর ২০০৪ সালে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নেন জিদান। ২০০৬ সালে বিশ্বকাপ যোগ্যতা অর্জন পর্ব থেকেই যখন বিদায় নিশ্চিত ফ্রান্সের, তখন কোচের অনুরোধে অবসর ভেঙে ফিরে আসেন জিজু। সে বার বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছিল ফ্রান্স। ফাইনালে মাতারাত্জির সঙ্গে সেই ঢুঁসো-কাণ্ডের পর পাকাপাকিভাবে চলে যান আন্তর্জাতিক ফুটবলের বাইরে।

হেনরিক লারসেন : সুইডেনের সর্বকালের অন্যতম সেরা এই স্ট্রাইকার এক বার নয়, দু’বার অবসর ভেঙে ফিরে এসেছিলেন। প্রথম বার তাঁর গোলেই বিশ্বকাপের নক আউট পর্যায়ে পৌঁছয় সুইডেন। ২০০৮ সালে ফের একবার অবসর ভেঙে ফিরলেও তেমন কিছু করতে পারেননি।

জেমি ক্যারাঘার : লিভারপুলের এই বিখ্যাত সেন্টার ব্যাক ইংল্যান্ডের জাতীয় দল থেকে অবসর নেওয়ার পর ২০১০ সালে ফিরে আসেন। দল নক আউটে পৌঁছলেও গ্রুপ পর্যায়ে দু’টি ম্যাচে দু’টি হলুদ কার্ড দেখে পরের ম্যাচে আর খেলতে পারেননি তিনি।

ক্লদ ম্যাকালেলে : ১৯৯৮ বিশ্বকাপ এবং ২০০০ সালের ইউরো কাপ জেতার পর ২০০৪ সালে অবসর নেন ফরাসি মাঝমাঠের ভরসা ম্যাকালেলে। ২০০৬ সালে অবসর ভেঙে ফিরে দলকে বিশ্বকাপ ফাইনালে তোলার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা নেন। দু’বছর পর ইউরোর গ্রুপ পর্যায় থেকে ফ্রান্স বিদায় নেওয়ার পর পাকাপাকিভাবে অবসর নেন তিনি।

লিলিয়ান থুরাম : জিদান, ম্যাকালেলে ছাড়াও ২০০৬ সালে কোচের অনুরোধে অবসর ভেঙে ফিরে এসেছিলেন থুরাম। ম্যাকালেলের মতোই ২০০৮ সালে ইউরোয় গ্রুপ থেকে বিদায় নেওয়ার পর ফের অবসর নেন তিনি।

জাভেদ মিয়াঁদাদ : পাকিস্তানের সর্বকালের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান। অনেক রেকর্ডের পাশাপাশি তিনিই সম্ভবত সবচেয়ে কম দিনের মধ্যে অবসর ভেঙে ফিরে আসার রেকর্ডটিও করেছেন। অবসর নেওয়ার দশ দিনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরে আসেন তিনি।

কার্ল হুপার : ওয়েস্ট ইন্ডিজের অন্যতম সেরা এই অলরাউন্ডার বিশ্ব ক্রিকেটে প্রথম ৫ হাজার রান এবং ১০০ উইকেট নিয়েছিলেন। বিশ্বকাপের ঠিক তিন সপ্তাহ আগে অবসর নেন তিনি। পরে ২০০৩ সালে ফিরে এসে দলকে নেতৃত্ব দেন। তাঁর নেতৃত্বেই সে বার বিশ্বকাপ খেলেছিল দল।

ইমরান খান : পাকিস্তানের সফলতম অধিনায়ক তিনিই। ১৯৮৭ সালে বিশ্বকাপের পর অবসর নেন। পরে পাক প্রেসিডেন্টের অনুরোধে ফিরে আসেন এবং ১৯৯২ সালে দলকে নেতৃত্ব দেন। তাঁর নেতৃত্বে সে বার বিশ্বকাপ জেতে পাকিস্তান।

কেভিন পিটারসেন : সুইচ হিটের রূপকার পিটারসেন ২০১১ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেন। কয়েক মাসের মধ্যে অবসর ভেঙে ফিরে এলেও ইংল্যান্ডের জাতীয় দলে আর ফিরতে পারেননি তিনি।

শাহিদ আফ্রিদি : অবসর নেওয়ার রেকর্ডটি সম্ভবত এই পাক অলরাউন্ডারের দখলেই রয়েছে। মোট পাঁচ বার অবসর ভেঙে ফিরে আসেন আফ্রিদি। তবে এই পর্যায়ের অলরাউন্ডার পাকিস্তানে আর আসেনি।

Googleplus Pint
Anik Sutradhar
Posts 7067
Post Views 492