MysmsBD.ComLogin Sign Up

মেসের কঠিন জীবনযাপনে সুস্থ থাকতে যা করবেন

In লাইফ স্টাইল - Jun 29 at 8:49pm
মেসের কঠিন জীবনযাপনে সুস্থ থাকতে যা করবেন

আধুনিক সময়ে পড়াশোনার জন্য দেশ-দেশান্তরে ছুটে চলছে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলে। আর বাড়ির বাইরে মাথা গোঁজার ঠাঁই বলতে হোস্টেল কিংবা মেস। যেসব মেয়েরা বাড়িতে থেকে ক্যারিয়ারের জন্য লড়ছেন তাদের মায়েরা অবশ্য তাদের যত্ন আত্তি করেন৷ কিন্তু যারা বাড়ির বাইরে মেস বাড়ির জীবন যাপন করছেন তারা বেশিরই ভাগই নিজের ক্ষেত্রে দিনের পর দিন চরম অবহেলা করে চলেন৷ খাওয়া-দাওয়া থেকে শুরু করে এক্সারসাইজ কোনও দিকেই তাদের খেয়াল নেই৷

ঘর-বাহির দুই সামলান নারীরা; অথচ সেই নারীর স্বাস্থ্য নিয়ে অবহেলার অন্ত নেই। প্রতিনিয়ত চলে অবহেলা। এছাড়া রয়েছে মেয়েদের শরীর-স্বাস্থ্য সম্পর্কে কিছু ভুল ধারণা, কুসংস্কার কিন্তু সময় এসেছে এগুলি পাল্টে ফেলার। কারণ দেশের ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্ম দেন নারীরাই। তাই তারা অসুস্থ হলে দেশের ভিতটাই দুর্বল হয়ে পড়বে। আর অবহেলা নয়। কিছু উপায়।

নারীদের সুস্থ থাকার জন্য কী কী করণীয়:

সবার প্রথমে নিজের খেয়াল রাখতে হবে। ছোট ছোট সমস্যা গুলিও অবহেলা করা যাবে না। কারণ ছোট সম্যাই পরে বড় আকারে দেখা দেয়। তাই মহিলাদের উচিত একটা নির্দিষ্ট সময় অন্তর ব্লাড প্রেসার ও ব্লাড সুগার পরীক্ষা করা। আর দুটোর কোনটি যদি অস্বাভাবিক হয় তাহলে সেদিন থেকেই চিকিৎসা শুরু করা। এছাড়া আমাদের দেশের বেশির ভাগ মহিলারাই রক্তস্বপ্লতায় ভোগেন। সেক্ষেত্রে আমি সব মহিলাদেরই সাজেস্ট করব বেশি আয়রন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার জন্য। চাইলে প্রতিনিয়ত আইরন ট্যাবলেটও খেতে পারেন।

অবহেলা করবেন না :

# হঠাৎ করে শরীরের ওজন অনেকটা কমে যাওয়া।

# প্রায়ই অসহ্য পেটে ব্যাথা, বমি বমি ভাব সঙ্গে বদহজম।

# বুকের বা-দিকে ব্যাথার অনুভব এবং সেই ব্যাথার বিস্তার হাত পর্যন্ত।

# ১৫ দিন বা তার বেশি সময় ধরে মানসিক অবসাদ, ঘুমের ব্যাঘাত, মাথা ঝিম ঝিম করা।

# পায়ের নীচের অংশ ফোলা ও পেটের নীচের অংশে ব্যাথা।

# পিরিয়ডের দিন এগিয়ে যাওয়া বা পিছিয়ে যাওয়া।

# ইউরিনাল যেকোন সমস্যা

ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সট হলো হরমোনাল সমস্যা। শরীরে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স থাকলে অতিরিক্ত ইনসুলিন তৈরি হতে থাকে। তার থেকেই সমস্যা। অতিরিক্ত ইনসুলিন অল্পবয়সি মেয়েদের শরীরে পুরুষ হরমোনের মতো কাজ করে। মেয়েরা মোটা হয়ে যায়। ওপর পেটে চর্বি জমে। মুখ জুড়ে ব্রণ হয়। শরীরে অবাঞ্ছিত লোম। ঘাড়ের কাছে কালচে দাগ। পিরিয়ড পিছিয়ে যায়। পরে প্রেগন্যান্সিতেও সমস্যা হতে পারে।

উপায় কী ?

এর একমাত্র মূল ট্রিটমেন্টও হল লাইফস্টাইল পরিবর্তন। বেশি ক্যালোরি যুক্ত খাবার খাওয়া যাবে না। পাশাপাশি নিয়ম করে এক্সারসাইজ। ১৮ বছরের বেশি বয়স হলে অল্প মাত্রায় ওরাল কন্ট্রাসেপটিভ পিল দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু ১৮ বছরের নীচে একদম নয়। এতে হাড়ের বৃদ্ধি আটকে যায়। তবে ইনসুলিন খুব বেশি হলে সারারণত মেটফরমিন খেতে দেওয়া হয়।

এতে কোনও অসুবিধা হয় না?

পিল খেলে প্রেগন্যান্সিতে সমস্যা হয়। এমন একটা ভুল ধারনা আমাদের আছে। তবে পিল খেলে সাধারনত কোনও সমস্যা হয় না। তবে প্রথম প্রথম মেটাফরমিন নিলে গা গুলায়, বমি বমি পায়, লুজ মোশন হব। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেটা কমে আসে।

এই সমস্যা গুলি এড়িয়ে যেতে যা যা করবেন:

** নিয়ম করে এক্সারসাইজ কিংবা যোগাসন করা।

** সুষম খাবার খেতে হবে। তৈলাক্ত ও মিষ্টি জাতীয় খাবার কম।

** দিনে অনন্ত তিন ধেকে চার লিটার জল খেতে হবে।

** অযথা স্ট্রেস না নেওয়া। নিয়ম করে আট ঘন্টা ঘুম

** কোনও সমস্যা দেখা দিলেই ডাক্তারের কাছে যাওয়া।

Googleplus Pint
Mizu Ahmed
Posts 4113
Post Views 328