MysmsBD.ComLogin Sign Up

চোখ ওঠা রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার!

In সাস্থ্যকথা/হেলথ-টিপস - Jun 26 at 4:47pm
চোখ ওঠা রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার!

চোখ আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যঙ্গ। এই চোখকে কীভাবে নিরাপদ রাখতে হয় তা আমাদের অনেকেরই জানা নেই। আবার অনেকে জেনেও সচেতনতার অভাবে তা মানি না।

বেশ কিছুদিন ধরে হঠাৎ করে কনজাঙ্কটিভার বা চোখ ওঠা রোগের প্রকোপ বেড়েছে। চোখ ওঠা রোগের সমস্যা ও প্রতিকার সম্পর্কে আজ দেয়া হলো।

রোগের লক্ষণ :
চোখ লাল হওয়া, চোখে কচকচ করা, অল্প ফুলে যাওয়া, চোখ থেকে পুজের মতো ঘন পদার্থ নিসৃত হয় এবং সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর চোখের পাপড়িগুলো শক্ত এবং জড়সড় হয়ে উঠা ইত্যাদি এ রোগের লক্ষণ।

কিন্তু ইদানীং রোগীরা চোখে বেশ ব্যথার অনুভূতি, আলোতে চোখ বন্ধ হয়ে আসা ইত্যাদি সমস্যা নিয়েও ডাক্তারের কাছে আসছে।

পরীক্ষা করলে দেখা যায়, এদের চোখে কনজাঙ্কটিভার প্রদাহের কারণে মেমব্রেন বা পর্দা পড়ে। যে কারণে চোখে ঘন ঘন অ্যান্টিবায়োটিক ড্রপ দিলেও এ পর্দার কারণে চোখের ভেতর পৌঁছায় না।

কনজাঙ্কটিভার প্রদাহ যখন এ্যলার্জির দ্বারা উৎপন্ন হয় :
চোখের চারপাশের ত্বক ফুলে ওঠে, চোখে চুলকানির মতো হয়, চোখ জ্বলা-পোড়া এবং পানি পড়তে থাকে। এছাড়াও নাক দিয়ে পানি পড়া ও হাঁচি হওয়ার মতো সমস্যা হয়।

করণীয় :
চোখ ওঠা ছোঁয়াচে রোগ হওয়ায় রোগীকে বেশি সচেতন হতে হবে। বাইরেবেশি ঘোরাঘুরি না করাই ভালো। পরিষ্কার কাপড় অথবা টিস্যু দিয়ে চোখের কোণে জমে থাকা পিঁচুটি পরিষ্কার করতে হবে। যতটা সম্ভব ওই কাপড় ঘন ঘন গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ব্যবহার করা ভালো।

এ রোগের আক্রমণ ঠেকাতে যতটা সম্ভব ভালো চোখে হাত না দেয়াটা ভালো। তবে, সাধারণত এ রোগে একসঙ্গে অথবা পর্যায়ক্রমে দুই চোখই আক্রান্ত হয়। রাতে ঘুম থেকে ওঠার পর ব্যবহার্য জিনিসপত্র, যেমন- বালিশের কভার, তোয়ালে, স্লিপিং স্যুট ইত্যাদি গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলা উত্তম।

চোখে কালো চশমা পরা উচিত। এতে আলোর প্রতি সংবেদনশীলতা কমে আসে। যত দ্রুত সম্ভব ডাক্তারের পরামর্শে চোখ পরীক্ষা করিয়ে চোখে ওষুধ দিতে হবে।

চিকিৎসা :
ইদানীং এ রোগের উপস্থাপন একটু ভিন্ন রকম বিধায় চিকিৎসায়ও নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। লাল চোখে যে পাতলা পর্দা পড়ে, তা খুব সহজেই তুলে ফেলা যায়। ওই পর্দার উপস্থিতি রোগীর কষ্ট অনেক গুণ বাড়িয়ে দেয়।

ডাক্তার ওই পর্দা আস্তে আস্তে তুলে ফেলেন এবং তারপর প্রয়োজনমতো অ্যান্টিবায়োটিক ড্রপ ও মলম ব্যবহারের পরামর্শ দেন।

চোখ সম্পূর্ণ সুস্থ হতে দুই-তিন সপ্তাহ লেগে যায়। ডাক্তারের পরামর্শে ওষুধ ব্যবহার করলে দ্রুত রোগ মুক্তি সম্ভব।

Googleplus Pint
Noyon Khan
Posts 3488
Post Views 171