MysmsBD.ComLogin Sign Up

ডিপিএলের সেরা অলরাউন্ডার সাকিব না মাহমুদুল্লাহ?

In ক্রিকেট দুনিয়া - Jun 25 at 12:57am
ডিপিএলের সেরা অলরাউন্ডার সাকিব না মাহমুদুল্লাহ?

দুই মাসের জমজমাট লড়াইয়ের পর গত বুধবার শেষ হয়েছে ওয়ালটন ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগ (ডিপিএল)। ব্যাটে-বলে সমানে দ্যুতি ছড়িয়েছেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, সাকিব আল হাসান, নাসির হোসেন এবং মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতরা।

নাসির ও মোসাদ্দেকরা লিগের প্রতিটি ম্যাচ খেললেও সেভাবে খেলা হয়নি সাকিবের। আর শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব সুপার লিগে উঠতে ব্যর্থ হওয়ায় সুপার সিক্স রাউন্ডে খেলা হয়নি মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের। তারপরও ডিপিএলের সেরা অলরাউন্ডারের তালিকায় রয়েছেন জাতীয় দলের এই দুই ক্রিকেটার।

সদ্য শেষ হওয়া ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে অলরাউন্ড পারফরম্যান্স করেছেন অনেকেই। তবে এ তালিকায় যথারীতি আছেন বিশ্বসেরা বাঁহাতি রাউন্ডার সাকিব আল হাসান। মাত্র আট ম্যাচ খেলেই বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি কেন বিশ্বসেরা! তবে প্রিমিয়ার লিগে সাকিবের সঙ্গে সমানে পাল্লা দিয়ে অলরাউন্ড পারফরম্যান্স করেছেন শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদও।

তবে জাতীয় দলের নিয়মিত এই দুই তারকার থেকে কোনো অংশেই পিছিয়ে ছিলেন না নবীন তারকারাও। মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, আল-আমিনরাও এবারের লিগে নজরকাড়া পারফরর্ম করেছেন। তাইতো প্রশ্ন জেগেছে লিগের সেরা অলরাউন্ডার কে? সাকিব, মাহমুদুল্লাহ, মোসাদ্দেক, নাসির নাকি আল-আমিন?

কেউ কারোর চেয়ে কোনো অংশে পিছিয়ে নেই। তবে ব্যাট হাতে এদের মধ্যে সর্বাধিক রান সংগ্রহ করেছেন আল-আমিন। আবার বল হাতে সবচেয়ে বেশি উইকেট নিয়েছেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। বিশেষ করে ব্যাট-বল এবং ম্যাচের সংখ্যার ভিত্তিতে এবারের লিগের সেরা অলরাউন্ডার বলা যেতে পারে মাহমুদুল্লাহকে। ১১ ম্যাচ থেকে ৪৯৭ রান সংগ্রহ করেছেন তিনি। এর মধ্যে দুটি সেঞ্চুরিসহ ম্যাচ প্রতি গড় ৪৯.৭০ ও স্ট্রাইক রেট ৭৭.৮৯। আর ১০ ইনিংস বল করে ২১টি উইকেটও তুলে নিয়েছেন। এর মধ্যে পাঁচ উইকেট নেয়ার কীর্তিও রয়েছে শেখ জামাল অধিনায়কের।

এর পরেই আছেন আবাহনীর হয়ে খেলা সাকিব আল হাসান। মাত্র আট ম্যাচ থেকে তুলে নিয়েছেন ১৮টি উইকেট। আর পুরো লিগ খেলতে পারলে হয়তো লিগের সেরা বোলারও হয়ে পারতেন তিনি। ব্যাটিংটাও খারাপ করেননি। এবারের লিগের দ্রুততম হাফ সেঞ্চুরিটির মালিক আবাহনীর এই বাঁহাতি অলরাউন্ডার। মোহামেডানের বিপক্ষে মাত্র ২০ বলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন সাকিব। আট ম্যাচে তার রান ২১০, স্ট্রাইক রেট ১৩১.২৫।

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের চতুর্থ সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ব্যাটসম্যানের নাম ভিক্টোরিয়ার আল-আমিন। ১৬ ম্যাচে ৬৭২ রান করেছেন তিনি। ৪৮ গড়ে সাতটি হাফ সেঞ্চুরির পাশাপাশি একটি সেঞ্চুরিও করেছেন। পুরো লিগ জুড়েই করেছেন নিয়ন্ত্রিত বোলিং। একবার পাঁচ উইকেটসহ মোট ১৬টি উইকেট পেয়েছেন তিনি।

সাকিবের সঙ্গে সুপার লিগে দুর্দান্ত পারফর্ম করেছেন আবাহনীর হয়ে খেলা তরুণ অলরাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। ১৬ ম্যাচ থেকে ৬২২ রান তুলে এবারের লিগে সবচেয়ে আলোচিত নাম মোসাদ্দেক। আবার এর মধ্যে দুটি ম্যাচে ব্যাটিং করার সুযোগ হয়নি তার। আবাহনীর হয়ে শেষ দিকে ব্যাট করতে নেমে প্রায় প্রতি ম্যাচেই দারুণ ফিনিশার হিসেবে নিজেকে তুলে ধরেন সৈকত। এমনকি সময় হলে বল হাতেও দলকে এনে দিয়েছেন প্রয়োজনীয় ব্রেক থ্রু। একবার পাঁচ উইকেটসহ মোট ১৬টি উইকেট পেয়েছেন তরুণ এই ক্রিকেটার।

এ ছাড়া দারুণ অলরাউন্ড পারফরম্যান্স করেছেন প্রাইম দোলেশর স্পোর্টিং ক্লাবের নাসির হোসেন। ১৬ ম্যাচ থেকে ৭৫.৪২ গড়ে করেছেন ৫২৮ রান। বল হাতেও তুলে নিয়েছেন ১৪টি উইকেট। ঘরোয়া ক্রিকেটের আরেক পরীক্ষিত সৈনিক নাঈম ইসলামের পারফরম্যান্সও ছিল চোখে পড়ার করার মতো। ১৬ ম্যাচে ৩৪২ রানের পাশাপাশি ১৯টি উইকেট নিয়েছেন মোহামেডান অধিনায়ক। এ ছাড়া প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবের শুভাগত হোম চৌধুরী ১৬ ম্যাচে ব্যাট হাতে সংগ্রহ করেছেন ৩০৯ রান। আর বল হাতেও প্রাইম ব্যাংকের অধিনায়ক তুলে নিয়েছেন ১৬টি উইকেট।

Googleplus Pint
Jafar IqBal
Posts 1521
Post Views 524