MysmsBD.ComLogin Sign Up

Search Unlimited Music, Videos And Download Free @ Tube Downloader

রোজায় ডায়াবেটিক রোগীরা কী করবেন?

In সাস্থ্যকথা/হেলথ-টিপস - Jun 22 at 4:17am
রোজায় ডায়াবেটিক রোগীরা কী করবেন?

সাহরিতে খেতে হবে আঁশযুক্ত জটিল কার্বোহাইড্রেটযুক্ত খাবার ও প্রোটিনযুক্ত খাবার। এ সময় ভাত, পাস্তা, দুধ, ডিম, ওটস, ডাল, লাল চালের ভাত খাওয়া উচিত
ডায়াবেটিক রোগীদের রোজা রাখা নিয়ে অনেক সময় দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাজ করে।

যদি রোগীর রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেশ কিছুদিন নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং ডায়াবেটিসজনিত অন্য কোনো শারীরিক সমস্যা না থাকে তাহলে রোগী রোজা রাখতে পারেন।

ডায়াবেটিক রোগীদের রোজা রাখা কেন ঝুঁকিপূর্ণ?
হাইপো গ্লাইসেমিয়া হতে পারে—বিশেষত যাঁরা ইনসুলিন গ্রহণ করেন, তাঁদের ক্ষেত্রে হাইপো গ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে ঝুঁকির পরিমাণ বেশি।

এই পরিস্থিতিতে রোগীকে সঙ্গে সঙ্গে দুই-তিন চা-চামচ চিনি বা গ্লুকোজ পানিতে মিশিয়ে খাওয়াতে হবে।

হাইপার গ্লাইসেমিয়া
রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ অতিরিক্ত বেড়ে যেতে পারে।

ডায়াবেটিক বিটো অ্যাসিকোমিস
টাইপ-১ ডায়াবেটিক রোগীদের ক্ষেত্রে বেশি দেখা যায়। এ ক্ষেত্রে রক্তে টক্সিনের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে।

পানিশূন্যতা
এই অবস্থা গরমের সময় বেশি হয়। পানিশূন্যতা হয়ে রক্তে ইলেকট্রোলাইট (সোডিয়াম, পটাশিয়াম) ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যেতে পারে। রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেশি থাকলেও পানিশূন্যতা হতে পারে।

ব্যবস্থাপনা
 ইনসুলিন, ওষুধের মাত্রা ও সময় পূর্ণ নির্ধারণ করে।

 রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বারবার দেখতে হবে।

 প্রতিদিনের খাদ্যের পুষ্টিমান বজায় রাখতে হবে।

 বেশি শারীরিক পরিশ্রম না করা।
রোজায় ডায়াবেটিক রোগীর খাদ্যব্যবস্থাপনা

 সাহরির খাবার হতে হবে শর্করাযুক্ত ও প্রোটিনসমৃদ্ধ।

 ইফতারের সময় বেশি পরিমাণে তৈলাক্ত খাবার ও গ্লুকোজ, চিনিযুক্ত খাবার না খাওয়া।

 রাতের খাবার স্বাভাবিক দিনের মতোই হবে।

 ইফতারের সময় থেকে সাহরি পর্যন্ত ১০-১২ গ্লাস পানি খাওয়া।

 রোজায় ডায়াবেটিক রোগীদের আমাদের দেশে ১৫-১৬ ঘণ্টা না খেয়ে থাকতে হয়। সে জন্য তাঁদের খাদ্য ব্যবস্থাপনায় কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ ও প্রকারভেদ অন্যতম বিবেচ্য বিষয়।

সাহরি
সাহরিতে খেতে হবে আঁশযুক্ত জটিল কার্বোহাইড্রেটযুক্ত খাবার ও প্রোটিনযুক্ত খাবার। এ সময় ভাত, পাস্তা, দুধ, ডিম, ওটস, ডাল, লাল চালের ভাত খাওয়া উচিত।

সাহরিতে ডাল বা দুধ যেকোনো একটি অবশ্যই খেতে হবে। মিষ্টিজাতীয় ফল ও মিষ্টি এ সময় একেবারেই গ্রহণ করা উচিত না।

ইফতার
ইফতারের সময় সহজ শর্করাযুক্ত ও তরল খাবার খাওয়া উচিত। এ সময় দই, চিড়া, পেঁপে, আপেল, হালিম, পেয়ারা, ডাবের পানি, মুড়ি ও ছোলা খাওয়া যেতে পারে। ইফতারে ডায়াবেটিক রোগীদের সরাসরি গ্লুকোজ ও চিনিযুক্ত খাবার খাওয়া উচিত না।

রাতের খাবার
রাতের খাবারে রুটি খাওয়াই ভালো। মাছ বা মাংস স্বাভাবিক পরিমাণের চেয়ে বেশি খেতে হবে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় অবশ্যই ডাল রাখতে হবে। সবজির ক্ষেত্রে যেসব সবজিতে পানির পরিমাণ বেশি সেই সবজিগুলো খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। যেমন—লাউ, জালি, কাঁচা পেঁপে, পটোল, চিচিঙ্গা ও শসা।

ইফতার থেকে সাহরি পর্যন্ত ১০-১২ গ্লাস পানি এবং তরল খাবার খেতে হবে। সুপ, চিনি ছাড়া শরবত, শসা, লাচ্ছি (টক দই দিয়ে বানানো) খাওয়া যায়। কিন্তু রোজার সময় চা ও কফি খাওয়া ঠিক না

Googleplus Pint
Noyon Khan
Posts 3334
Post Views 117