MysmsBD.ComLogin Sign Up

[Trick] Uc Browser দিচ্ছে ৪০০০টাকা করে বিকাশে। বাংলাদেশ থেকে প্রথম থেকে ৪০০০ জন পাবে ৪০০০ টাকা করে ।

শ্বেতী রোগের কারণ ও চিকিৎসা!

In সাস্থ্যকথা/হেলথ-টিপস - Jun 20 at 1:53pm
শ্বেতী রোগের কারণ ও চিকিৎসা!

শ্বেতীরোগ সারা বিশ্বেই পরিচিত ও সাধারণ একটি রোগ। এই রোগকে গ্রামাঞ্চলে ধবল রোগ বা শ্বেতকুষ্ঠ বলা হয়। শ্বেতী রোগ সম্পর্কে অনেকেরই বিরূপ মনোভাব ও কুসংস্কার রয়েছে। অনেকেই শ্বেতী রোগকে কুষ্ঠ রোগ হিসেবে ধরে নেয়।

তবে এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা । আদৌও শ্বেতী ও কুষ্ঠ এক রোগ নয়। শ্বেতী মোটেও ছোঁয়াচে নয় এবং বেশির ভাগ ক্ষেত্রে চিকিৎসার দ্বারা এই রোগ সারিয়ে তোলা সম্ভব।

শ্বেতী রোগ আসলে কি
সাদা অথবা কালো, যাই হোক না কেনো ত্বক বা চামড়ার স্বাভাবিক এই রং যখন থাকে না তখন তাকে শ্বেতী বলা হয়। মেলানোসাইট নামে ত্বকে একজাতীয় কোষ আছে আর এই কোষ মেলানিন নামে একটি রং উৎপাদন করে বলেই আমরা ত্বকের স্বাভাবিক রংটি দেখতে পাই।

শ্বেতী হলে রং আর তৈরি হয় না। তখন ত্বকের একটি অস্বাভাবিক রং দেখতে পাই আর একেই আমরা শ্বেতী বলি। যাদের ডায়বেটিস আছে তাদের শ্বেতী রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। একই ভাবে থাইরয়েডের রোগ থাইরোডাইটিস আছে, তাদের শ্বেতী হতে পারে। বিশেষ এক জাতের রক্তশূন্যতা থেকেও এই রোগ হতে পারে।

শ্বেতী রোগের কারণ
শ্বেতী কোনো ভয়ংকর রোগ নয়। শ্বেতীরোগের কারণ নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। বংশগত কারণে কারো কারো এই রোগ দেখা যায়। এছাড়াও বর্তমানে বাজারে প্রসাধনী সামগ্রী হিসেবে কতগুলো কেমিকেল বা সিন্থেটিক জিনিস পাওয়া যায়। এগুলোর ব্যবহার বা স্পর্শ থেকে অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া ঘটে এবং এই করণেও অনেকের শ্বেতী হয় বলে ধারণা করা হয়।

চশমার টাইট ফ্রেম থেকে নাকের দু'পাশে বা কানের কাছে সাদা হতে দেখা যায়। কপালে পড়ার সিন্থেটিক টিপ থেকে শ্বেতীর শুরু হতে দেখা যায়। এ ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে প্লাস্টিক বা রাবারের জুতা, ঘড়ির বেল্ট প্রভৃতি ব্যবহার থেকে, কারও কারও কব্জিতে বা পায়ে শ্বেতীর চিহ্ন বা অন্যান্য স্কিন ডিজিজ দেখা যায়।

শ্বেতী রোগের ফলে যা হতে পারে
শ্বেতী রোগের ফলে স্বাস্থ্যহানি হয় না। শুধু স্কিনের স্বাভাবিক বর্ণ নষ্ট হয়। এই রোগে জীবননাশের তেমন কোনো আশঙ্কা নেই। তবে এই রোগে রোগী মানসিক কষ্টে ভোগে। রোগী সাধারণভাবে রোদ ও আগুনের তাপ সহ্য করতে পারে না। শ্বেতী হলে প্রথমে ছোট ছোট সাদা দাগ দেখা যায় । কিছুদিনের মধ্যেই দাগগুলো মিলে বড় আকার ধারণ করে। কখনো কখনো মায়ের গর্ভ থেকে শ্বেতী রোগ নিয়ে শিশু জন্মাতে পারে।

শ্বেতী রোগে আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসা
চিকিৎসকদের হিসাবে অনুযায়ী ০. ৫ থেকে ১ শতাংশ পর্যন্ত এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে। অর্থাৎ প্রতি ১০০ জনে একজন বা দুইজনের শ্বেতী হয়ে থাকে। তবে ছেলেদের তুলনায় মেয়ে শ্বেতী রোগীর সংখ্যা একটু বেশি।

চিকিৎসকদের মতে অধিকাংশ সময়েই শ্বেতী রোগ ভালো হয়ে যায়। সাধারণভাবে ৫০ থেকে ৭৫ শতাংশ রোগীর শ্বেতী চিকিৎসার মাধ্যমে ভালো হয়ে ওঠে। শ্বেতীর চিকিৎসায় সেরে ওঠার জন্য রোগীকে একটু বেশি সময় ধরে অপেক্ষা করতে হয়। শ্বেতী চিকিৎসার জন্য যেসব ওষুধ ব্যবহার করা হয়, তা বাংলাদেশে পাওয়া যায়।

এ ছাড়া ওষুধ বা অতি বেগুনি রশ্মি প্রয়োগ করে শ্বেতীর চিকিৎসা ব্যর্থ হওয়ার পর সার্জারির আশ্রয় নেয়া যেতে পারে। দেহের ভালো অংশের ত্বক কেটে এনে বসানো হয় রোগীর শ্বেতী আক্রান্ত অংশে বসিয়ে দিলে এ রোগ থেকে মুক্ত হওয়া যায়। তবে যাদের শরীরের প্রায় ৮০ ভাগ শ্বেতী রয়েছে তদের শরীরে এক ধরনের রাসায়নিক ব্যবহারের মাধ্যমে অন্য অংশকেও শ্বেতীর মতো সাদা করে দেয়া যায়।

তবে, শ্বেতীরোগে আক্রান্তরা হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন। এ রোগের জন্য হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা খুব কার্যকরী।

[Trick] Uc Browser দিচ্ছে ৪০০০ টাকা করে বিকাশে। বাংলাদেশ থেকে প্রথম থেকে ৪০০০ জন পাবে ৪০০০ টাকা করে ।

Googleplus Pint
Noyon Khan
Posts 3435
Post Views 396