MysmsBD.ComLogin Sign Up

Search Unlimited Music, Videos And Download Free @ Tube Downloader

পরিমিত জীবনযাপন যেভাবে লাভবান করে আপনাকে

In লাইফ স্টাইল - Jun 15 at 9:00pm
পরিমিত জীবনযাপন যেভাবে লাভবান করে আপনাকে

প্রথম দর্শন এটাই পরিষ্কার হয় যে, যারা মিতব্যয়ী জীবন ধারণ করেন তাদের প্রাথমিক লক্ষ্যটা হলো, খুব অল্প জিনিসের মালিক হওয়া। মিতব্যয়ী থাকা বা ন্যূনতম প্রয়োজন মিটিয়ে জীবনধারণ দারুণ এক চর্চা। এর মাঝে লুকিয়ে রয়েছি বিশাল কিছু। চর্চা চালিয়ে গেলেই সুফল মেলে। এমন জীবনযাপনে অনেক কম প্রাণশক্তি ক্ষয় করে বড় ফল মেলে। পাশপাশি মানসিক চাপও অনেক কম থাকে। অর্থনৈতিক দিকটাই বেশ চাঙ্গা থাকে। এখানে বিশেষজ্ঞরা পরিমিত হতে দিয়েছেন বেশ কিছু পরামর্শ।

১. ঘরের অপ্রোয়োজনীয় জিনিসপত্র বিক্রি করে দিন : লস অ্যাঞ্জেলস টাইমস এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানায়, গড় আমেরিকানদের ঘরে ৩ লাভ বিভিন্ন জিনিসপত্র রয়েছে। এদের অধিকাংশই অপ্রয়োজনীয়। এগুলো কিনতেও প্রচুর অর্থ ব্যয় হয়। এমনইভাবে গোটা বিশ্বের মানুষের ঘরে ঘরে অনেক জিনিস রয়েছে যা মোটেও কাজে লাগে না। প্রথমেই এগুলোর তালিকা করে বিক্রি করে দিন। ঘরটাও খালি হবে। এতে আরাম বোধ করবেন। আবর কিছু পয়সাও আসবে হাতে।

২. কম জিনিস কিনুন : মানুষ কোনো হিসাব না করেই জিনিস কিনে ফেলেন। এর প্রয়োজন কতটুকু বা কতদিনই বা তা কাজে লাগবে তার হিসাব করেন না। অথচ বুঝে-শুনে যদি জিনিস কেনেন, তাহলে দেখবেন জীবনটা অন্যরকম বোধ হচ্ছে। শুধু প্রয়োজন মেটে এমন হিসাব করে জিনিস কিনুন। প্রতিদিনই কাজে লাগে এবং না হলে চলে না- এমন জিনিস বেছে নেওয়া উচিত।

৩. অল্প জিনিসের মালিক হওয়া : বড় ধরনের জিনিস ক্রয়ের ক্ষেত্রে মনে রাখবেন, এগুলো যত কম থাকবে ততই সুবিধা। কারণ এখন আপনার কেনার সাধ্য থাকলেও এসব জিনিস ভবিষ্যতে আপনার শক্তি এবং অর্থ উভয়েরই অপচয় ঘটাবে। কোন কিছুই টেকে না। এদের ক্ষয় ঘটে, নষ্ট হয় এবং এক সময় আর থাকে না। এদের দেখে-শুনে রাখতেও অনেক অর্থ ব্যয় হয়।

৪. গুটিকয়েক সম্পদ সংরক্ষণ করা : যে পদ্ধতিতে আমরা গড়ে তুলি, কিনি এবং সংরক্ষণ করি, তার সংখ্যা বৃদ্ধি করবেন না। একটা থাকার স্থায়ী ব্যবস্থা থাকতে পারে। কিন্তু তা প্রয়োজনের চেয়ে বড় কিছু নয়। যতটুকু প্রয়োজন ততটুকুতেই খুশী থাকুন। এভাবে সম্পদ বলতে বেশি কিছুর প্রয়োজন নাই।

৫. ট্যাক্সের অর্থ বেঁচে যাবে : মানুষ যত বেশি সম্পদের মালিক হবে তাকে তত ট্যাক্স দিতে হবে। কিন্তু মিতব্যয়ী হলে এর পরিমাণ কমে আসবে। অর্থাৎ বেশ অনেক অর্থ বেঁচে যাবে।

৬. শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি : সম্পদের যন্ত্রণা রয়েছে। কারণ এগুলো রক্ষা ও বৃদ্ধিতে অনেক মস্তিষ্ক ও দেহের ঘাম ঝরাতে হয়। মানসিক চাপ বৃদ্ধি পায় আশঙ্কাজনক হারে। আধুনিক প্রজন্ম এ ধরনের সমস্যায় খুব বেশি জর্জরিত। কিন্তু সম্পদের পরিমাণ যত কম থাকবে, তাদের দৈহিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটবে। যারা পরিমিত জীবনযাপন করেন তারা চাহিদা সংক্রান্ত জটিলতায় ভোগেন না। অল্পতেই তুষ্টি থাকে। ফলে বেশ শান্তিতে জীবন কাটান তারা।

৭. ব্যয়ের ক্ষেত্রেও পরিচিত : এমন মানুষরা ব্যয়ের ক্ষেত্রেও পরিচিত থাকেন। ফলে বেশ অর্থ তাদের পকেটে থেকেই যায়। তারা অল্প কিন্তু সেরাটা বেছে নিতে আগ্রহী থাকেন। স্বাস্থ্য, সম্পর্ক বা অভ্যাস সব ক্ষেত্রেই তারা এর চর্চা চালান। কাজেই এ চর্চা আপনার মাঝেও গড়ে তুলুন।

৮. বাড়তি আয়ের সময় বের হওয়া : জীবন যখন পরিমিত, তখন সময়ও কিছুটা বাঁচবে আপনার। এ সময়টাতে বাড়তি আয়ের ব্যবস্থা করতে পারেন। যখন আমাদের বাড়িতে অল্প জিনিস, তখন কাজও কম। সেখানে সময় বাঁচবে। যখন আপনার জিনিসপত্র কম, তখন আপনার গুছিয়ে রাখার পেছনে সময়ও দিতে হবে না। কাজেই বেশ সময় হাতে পাবেন। এই বাড়তি সময় বাড়তি উপার্জনের পেছনে ব্যয় করতে পারেন। সূত্র : ফোর্বস

Googleplus Pint
Mizu Ahmed
Posts 3876
Post Views 151