MysmsBD.ComLogin Sign Up

সাশ্রয়ী দামে ওয়ালটনের ৩ স্মার্টফোন

In মোবাইল ফোন রিভিউ - Jun 07 at 1:34pm
সাশ্রয়ী দামে ওয়ালটনের ৩ স্মার্টফোন

নানা ফিচারের নিত্যনতুন স্মার্টফোন সাশ্রয়ী দামে গ্রাহকদের হাতে তুলে দিতে বাজারে বরাবরই এগিয়ে দেশীয় প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন।

সম্প্রতি ৩টি মডেলের স্মার্টফোনে মূল্য ছাড় সুবিধা ঘোষণা করেছে ওয়ালটন। মডেলগুলো হচ্ছে: ‘প্রিমো আর-ফোর’, ‘প্রিমো ভিএক্স’ এবং ‘প্রিমো আর-ফোর প্লাস’।

* ‘প্রিমো আর-ফোর’ স্মার্টফোনটি এখন সাশ্রয়ী মূল্যে ১০,২৯০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে (আগে এর মূল্য ছিল ১১,২৯০ টাকা)।

* ‘প্রিমো ভিএক্স’ স্মার্টফোনটি এখন মাত্র ১১,৪৯০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে (আগে এর মূল্য ছিল ১৩,৪৯০ টাকা)।

* ‘প্রিমো আর-ফোর প্লাস’ স্মার্টফোনটি বর্তমানে পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ১১,৬৯০ টাকায় (আগে এর মূল্য ছিল ১২,৯৯০ টাকা)।

স্মার্টফোনগুলোর ফিচার জেনে নিন.....

প্রিমো আর-ফোর
ওয়ালটনের নতুন এই স্মার্টফোনটি প্রয়োজনীয় সব ফিচারে যেমন সমৃদ্ধ, তেমনি ডিজাইনেও স্টাইলিশ। এটি মাত্র ৭.৯ মিমি পুরুত্বের পাতলা ও ১৩৬ গ্রাম হালকা ওজন সুবিধার। অ্যান্ড্রয়েড ৫.০ ললিপপ অপারেটিং সিস্টেম চালিত প্রিমো আর-ফোর স্মার্টফোনটিতে রয়েছে আইপিএস প্রযুক্তির ৫ ইঞ্চি স্ক্রিনের এইচডি (১২৮০ বাই ৭২০ রেজ্যুলেশন) ডিসপ্লে। তৃতীয় প্রজন্মের কর্নিং গরিলা গ্লাস ব্যবহৃত হয়েছে ডিসপ্লের নিরাপত্তায়। মাল্টি টাচ সুবিধায় হাতের পাঁচ আঙুল পরিচালনা করা যাবে।

ডুয়াল সিম ও ডুয়াল স্ট্যান্ডবাই সুবিধার এই স্মার্টফোনটি থ্রিজি ও সর্বাধুনিক ফোরজি এলটিই নেটওয়ার্ক সাপোর্টেড। প্রসেসর হিসেবে রয়েছে ৬৪ বিট ১.৩ গিগাহার্জ কোয়াড কোর প্রসেসর, গ্রাফিক্স হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে মালি টি৭২০, মেমোরির ক্ষেত্রে রয়েছে ২ জিবি র‌্যাম, ১৬ জিবি ইন্টারনাল মেমোরি এবং মেমোরি কার্ডের মাধ্যমে আরো ৩২ জিবি পর্যন্ত বর্ধিত মেমোরির ব্যবহারের সুবিধা।

ক্যামেরার ক্ষেত্রে রয়েছে অটোফোকাস ও এলইডি ফ্ল্যাশ সুবিধাসহ বিসিআই প্রযুক্তির ৮ মেগাপিক্সেল রিয়ার ক্যামেরা। ভিডিও কল ও সেলফির জন্য রয়েছে বিসিআই প্রযুক্তির ৫ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা। রয়েছে ফুল এইচডি ভিডিও রেকর্ডিং ও প্লেব্যাক সুবিধা। গান শোনা ও মুভি দেখায় রয়েছে ডিটিএস সাউন্ড সিস্টেম। ফলে অনেক বেশি জীবন্ত ও পরিষ্কার শব্দানুভূতি পাওয়া যাবে।

কানেক্টিভিটির ক্ষেত্রে রয়েছে ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ ভার্সন ৪, মাইক্রো ইউএসবি পোর্ট যা ওটিজি সমর্থন করে, ওয়াই-ফাই হটস্পট, ওয়্যারলেস ডিসপ্লে শেয়ারিং, হট নক এবং ওটিএ সুবিধা। স্মার্টফোনটিতে মোশন সেন্সর হিসেবে রয়েছে অ্যাকসিলেরোমিটার (থ্রিডি)। এনভায়রনমেন্ট সেন্সর হিসেবে রয়েছে লাইট (ব্রাইটনেস)। পজিশন সেন্সর হিসেবে রয়েছে প্রক্সিমিটি, ম্যাগনেটিক ফিল্ড (কম্পাস), ওরিয়েন্টেশন।

অন্যান্য ফিচারের মধ্যে স্মার্টফোনটিতে রয়েছে জিপিএস সুবিধা, রেকর্ডিং সুবিধাসহ এফএম রেডিও, এসএমএসের মাধ্যমে ফোন সিকিউরিটি এবং ২৪০০এমএএইচ লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারিসহ প্রভৃতি সুবিধা। ব্যাটারির চার্জ সাশ্রয়ে পাওয়ার সেভিং মোড ছাড়াও রয়েছে এক্সট্রিম পাওয়ার সেভিং মোড।

প্রিমো ভিএক্স
ডিজাইনের দিক থেকে ওয়ালটনের এই স্মার্টফোনটি অনন্য। মাত্র ৭.৩ মিমি পুরুত্বের পাতলা ও ১২০ গ্রাম ওজনের হালকা প্রিমো ভিএক্স স্মার্টফোনটি যেমন অত্যাধুনিক সুবিধার তেমনি স্টাইলিশ ডিজাইনের।

অ্যান্ড্রয়েড ৫.১.১ ললিপপ অপারেটিং সিস্টেম চালিত এই স্মার্টফোনটিতে রয়েছে কোয়ানটাম শার্প পিওর ব্ল্যাক আইপিএস এবং ওজিএস প্রযুক্তির ৫.০ ইঞ্চি ফুল এইচডি (১৯২০ বাই ১০৮০ রেজ্যুলেশন) স্ক্রিনের ডিসপ্লে। তৃতীয় প্রজন্মের কর্নিং গরিলা গ্লাস ব্যবহৃত হয়েছে ডিসপ্লের নিরাপত্তায়। মাল্টি টাচ সুবিধায় হাতের পাঁচ আঙুল পরিচালনা করা যাবে।

থ্রিজি ও টুজি প্রযুক্তির পাশাপাশি প্রিমো ভিএক্স স্মার্টফোনটি সর্বাধুনিক ফোরজি এলটিই প্রযুক্তি সাপোর্টেড। ডুয়াল সিম স্লট সুবিধার এই হ্যান্ডসেটটির একটি সিম স্লটে মাইক্রো সিম এবং আরেকটি সিম স্লটে ন্যানো সিম কার্ড বা মেমোরি কার্ড স্লট হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে।

স্মার্টফোনটিতে প্রসেসর হিসেবে রয়েছে ৬৪ বিট কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৬১৫ চিপসেটের ১.৫ গিগাহার্জ অক্টা কোর প্রসেসর, গ্রাফিক্স হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে অ্যাডরেনো ৪০৫, মেমোরির ক্ষেত্রে রয়েছে ২ জিবি র‌্যাম, ১৬ জিবি ইন্টারনাল মেমোরি এবং মেমোরি কার্ডের মাধ্যমে আরো ৩২ জিবি পর্যন্ত বর্ধিত মেমোরির ব্যবহারের সুবিধা।

ক্যামেরার ক্ষেত্রে রয়েছে অটোফোকাস ও এলইডি ফ্ল্যাশ সুবিধাসহ বিসিআই প্রযুক্তির ১৩ মেগাপিক্সেল রিয়ার ক্যামেরা। ভিডিও কল ও সেলফির জন্য রয়েছে বিসিআই প্রযুক্তির ৫ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা। রিয়ার ক্যামেরার অ্যাপাচার সাইজ এফ২.০ এবং ফ্রন্ট ক্যামেরার অ্যাপাচার সাইজ এফ২.৪। রয়েছে ফুল এইচডি (১০৮০পি) ভিডিও রেকর্ডিং ও প্লেব্যাক সুবিধা।

কানেক্টিভিটির ক্ষেত্রে রয়েছে ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ ভার্সন ৪, মাইক্রো ইউএসবি পোর্ট, ওয়াই-ফাই হটস্পট, ওয়্যারলেস ডিসপ্লে এবং ওটিএ আপগ্রেড এনাবল সুবিধা।

স্মার্টফোনটিতে মোশন সেন্সর হিসেবে রয়েছে অ্যাকসিলেরোমিটার (থ্রিডি), রোটেশন ভেক্টর। এনভায়রনমেন্ট সেন্সর হিসেবে রয়েছে লাইট (ব্রাইটনেস), প্রেসার। পজিশন সেন্সর হিসেবে রয়েছে প্রক্সিমিটি, ম্যাগনেটিক ফিল্ড (কম্পাস), ওরিয়েন্টেশন। এছাড়া স্টেপ সেন্সর হিসেবে রয়েছে প্যাডোমিটার।

প্যাডোমিটার সেন্সর থাকায় এই স্মার্টফোনটিতে এ-সংক্রান্ত অ্যাপ ব্যবহার করে সহজেই জগিংয়ের সময়ের প্রতি স্টেপের দূরত্ব, হাঁটা বা দৌড়ানোর গতি ও সময় প্রভৃতি কিছু মাপা যাবে।

অন্যান্য ফিচারের মধ্যে স্মার্টফোনটিতে রয়েছে জিপিএস সুবিধা, এফএম রেডিও, ২৩০০এমএএইচ লিথিয়াম পলিমার ব্যাটারি প্রভৃতি সুবিধা।

প্রিমো আর-ফোর প্লাস
ওয়ালটনের এই স্মার্টফোনটি আইপিএস প্রযুক্তির ৫ ইঞ্চি স্ক্রিনের অন-সেল এইচডি (১২৮০ বাই ৭২০ রেজ্যুলেশন) ডিসপ্লের। এর ডিসপ্লেতে ২.৫ডি কার্ভড (বাঁকানো) গ্লাস ডিজাইন ব্যবহার করা হয়েছে। ডিসপ্লের সুরক্ষায় ব্যবহৃত হয়েছে কর্নিং গরিলা গ্লাস ৪ প্রযুক্তি। ফলে অসাবধানতায় হাত থেকে পড়ে গেলেও এর ডিসপ্লে ভাঙার সম্ভাবনা কম। যেকোনো ধরনের স্ক্র্যাচ থেকে ডিসপ্লে যেমন থাকবে নিরাপদ তেমনি অসাধারণ টাচ সুবিধা পাওয়া যাবে। মাল্টি টাচ সুবিধায় হাতের পাঁচ আঙুল পরিচালনা করা যাবে।

স্লিম ও আকর্ষণীয় ডিজাইনের এই স্মার্টফোনটি মেটাল বডির। ফলে মজবুত ও টেকসই। স্মার্টফোনটি তৈরি হয়েছে আধুনিক সিএনসি (কম্পিউটার নিউমেরিক্যালি কন্ট্রোল) পদ্ধতিতে। এর চারপাশের ফ্রেম অ্যালুমিনিয়ামের। স্মার্টফোনটি ৮.১ মিমি পুরুত্বের পাতলা ও ১৪৯ গ্রাম হালকা ওজনের।

ব্যবহারকারীদের একসঙ্গে বিভিন্ন অ্যাপস স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যবহার ও মাল্টিমিডিয়ায় উন্নত অভিজ্ঞতা দিতে রয়েছে দ্রুতগতির ৩ জিবি র‌্যাম। প্রসেসর হিসেবে রয়েছে ৬৪বিট ১.৩ গিগাহার্জ কোয়াড কোর প্রসেসর। গ্রাফিক্স হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে মালি টি৭২০।

অ্যান্ড্রয়েড ৫.১ ললিপপ অপারেটিং সিস্টেম চালিত এই স্মার্টফোনটি থ্রিজি প্রযুক্তির পাশাপাশি সর্বাধুনিক ফোরজি এলটিই প্রযুক্তি সাপোর্টেড। এর ডুয়াল সিম স্লটের উভয়টিতেই থ্রিজি বা ফোরজি নেটওয়ার্কের সিম ব্যবহার করা যাবে।

‘প্রিমো আর-ফোর প্লাস’ স্মার্টফোনটিতে অনেক বেশি ভিডিও, ছবি, মিউজিক, অ্যাপস প্রভৃতি সংরক্ষণের জন্য রয়েছে ১৬ জিবি ইন্টারনাল মেমোরি এবং মেমোরি কার্ডের মাধ্যমে আরো ১২৮ জিবি পর্যন্ত বর্ধিত মেমোরির ব্যবহারের সুবিধা।

স্মার্টফোনটিতে রিয়ার ক্যামেরার ক্ষেত্রে রয়েছে অটোফোকাস ও এলইডি ফ্ল্যাশ সুবিধাসহ বিসিআই সেন্সরযুক্ত ৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। ভিডিও কল ও সেলফির জন্য রয়েছে বিসিআই সেন্সরের ৫ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা। রিয়ার ক্যামেরার সাহায্যে ফুল এইচডি (১৯২০ বাই ১০৮০) ভিডিও ধারণ এবং ফ্রন্ট ক্যামেরার সাহায্যে এইচডি (১০৮০ বাই ৭২০) ভিডিও ধারণ ধরা যাবে। গান শোনা ও মুভি দেখায় রয়েছে ডিটিএস মিউজিক সিস্টেম। ফলে অনেক বেশি জীবন্ত ও পরিষ্কার শব্দানুভূতি পাওয়া যাবে।

কানেক্টিভিটির ক্ষেত্রে রয়েছে ডুয়াল ব্যান্ড ওয়াই-ফাই (২.৪ এবং ৫ গিগাহার্জ), ব্লুটুথ ভার্সন ৪, মাইক্রো ইউএসবি পোর্ট যা ওটিজি সমর্থন করে, ওয়্যারলেস ডিসপ্লে শেয়ারিং, ওয়াই-ফাই হটস্পট এবং ওটিএ সুবিধা। স্মার্টফোনটিতে মোশন সেন্সর সেন্সর হিসেবে রয়েছে অ্যাকসিলেরোমিটার (থ্রিডি)। এনভায়রনমেন্ট সেন্সর হিসেবে রয়েছে লাইট (ব্রাইটনেস)। পজিশন সেন্সর হিসেবে রয়েছে প্রক্সিমিটি, ম্যাগনেটিক ফিল্ড (কম্পাস), ওরিয়েন্টেশন।

অন্যান্য ফিচারের মধ্যে রয়েছে জিপিএস সুবিধা, রেকর্ডিং সুবিধাসহ এফএম রেডিও, চিলড্রেন মোড সুবিধা, অ্যান্টি-থেফট প্রযুক্তি (এসএমএসের মাধ্যমে ফোন লক ও ডাটা মুছে ফেলার সুবিধা), দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি ব্যাকআপ নিশ্চিতের জন্য ২৪০০এমএএইচ লিথিয়াম পলিমার ব্যাটারিসহ প্রভৃতি সুবিধা। ব্যাটারির চার্জ সাশ্রয়ে পাওয়ার সেভিং মোড ছাড়াও রয়েছে এক্সট্রিম পাওয়ার সেভিং মোড।

Googleplus Pint
Anik Sutradhar
Posts 7055
Post Views 507